অন্যরকম ঈদ: হাসিমুখ নেই, কোলাকুলি নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট : ২৫ মে, ২০২০ সোমবার ০২:২০ পিএম

এক মাস রোজা রাখার পর খুশির ঈদ এলেও মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে তা নিরানন্দ হয়ে গেছে। ঈদের খুশির বদলে মানুষের মনে আতঙ্ক আর নানা দুশ্চিন্তা ভর করেছে।

আতঙ্ক আর দুশ্চিন্তা নিয়ে মসজিদে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। তবে অন্য বার ঈদের নামাজ শেষে একজন আরেকজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেয়ার যে দৃশ্য দেখা যেত এবার তা দেখা যায়নি।

আরও পড়ুনঃ ঈদের নামাজ শেষে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউপি সদস্য নিহত

বন্দর নগরীর জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে সকাল ৮টায়  প্রথম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মসজিদের খতিব ক্বারী সাইয়েদ মাওলানা আবু তালেব মো. আলাউদ্দীন। এরপর সকাল পৌনে ৯টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. আহমেদুল হক।

এদিকে সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানেও নগরীতে কোথাও ঈদের জামাত আয়োজন করা হয়নি। চট্টগ্রামে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে নগরীর দামপাড়াস্থ জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ অভ্যান্তরে। এ ছাড়া দ্বিতীয় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদে।

এ দুটি বড় মসজিদ ছাড়াও নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে মসজিদগুলোতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঈদ জামাতের আগে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) নির্দেশনা ঘোষণা করেছেন মুয়াজ্জিনেরা। তবে মুসল্লীদের কপাল ছিল চিন্তার ভাজ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে এবারের ঈদের নামাজ ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে বাড়ির কাছের মসজিদে গিয়ে আদায় করার জন্য অনুরোধ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

গত ১৪ই মে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বৈঠক করে ধর্ম মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করে।

সেখানে মসজিদের ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যাপার এ সংক্রান্ত কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সেখানে জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো পরিহার করার জন্যও অনুরোধ করে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

সিটিজিসান ডটকম/আরএইচ

Print This Post