দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৭ উপজেলার অর্ধশত গ্রামে আজ ঈদ

আপডেট: ২৪ মে ২০২০ ১২:৫২ অপরাহ্ন

দক্ষিণ চট্টগ্রাম

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট : ২৪ মে, ২০২০ রবিবার ১২:৫৩ পিএম

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৭টি উপজেলার অর্ধশত গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। আজ রবিবার (২৪ মে) দেশে প্রচলিত নিয়মের আগেই এসব গ্রামের প্রায় দুই হাজার পরিবার ঈদ উদযাপন করছেন।

সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় দরবার শরীফের পীরজাদা মওলানা ড. মোহাম্মদ মকছুদুর রহমান এবং চন্দনাইশস্থ কাঞ্চননগর শাহ সুফি জাহাঙ্গিরিয়া মমতাজিয়া দরবার শরীফ ময়দানে শাহ সুফি আলহাজ্ব মওলানা মোহাম্মদ আলী শাহ’র (ম.জ.আ) ইমামতিতে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ করোনা: চট্টগ্রামে আরও ১৬৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত

এছাড়া চন্দনাইশের জাহাঁগিরিয়া মমতাজিয়া দরবারে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের নামাজ শেষে মহান আল্লাহর কাছে দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মুনাজাত করেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।

জানা গেছে, চার মাযহাবের সমন্বিত ‘আল ফিকাহ আলা মাযাহিবিল আরবায়া’ নামক গ্রন্থের ভাষ্যমতে পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে চাঁদ দেখা যাওয়ার খবর পাওয়া গেলে সব স্থানেই উক্ত চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র ঈদ উদযাপিত হয়। এ চাঁদ নিকটবর্তী দেশে দেখা যাক বা দূরবর্তী দেশে দেখা যাক- এতে কোন পার্থক্য নেই। তবে চাঁদ দেখার সংবাদ নির্ভরযোগ্য পদ্ধতিতে অন্যদের কাছে পৌঁছাতে হবে।

সে অনুসারে সাতকানিয়া মীর্জাখীল দরবার ও চন্দনাইশ জাহাঁগিরিয়া দরবার শরিফের অনুসারীরা আড়াই’শ বছর ধরে এদেশে আগাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।

আরও পড়ুনঃ লকডাউনে এক শিক্ষিকার বসতঘর দখল করে ভবন নির্মাণ কর্ণফুলীতে

দরবার শরীফের পীরজাদা মওলানা ড. মোহাম্মদ মকছুদুর রহমান বলেন, প্রায় আড়াইশো বছর ধরে সৌদি আরবের সময় অনুসরণ করে আমরা ঈদ, রোজা, কোরবান পালন করছি। সে অনুযায়ী আমরা আগামীকাল রবিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করবো। কাল সকাল ১০টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে এবার দরবার শরীফে বড় ঈদ জামাতের আয়োজন হচ্ছে না। নিজ নিজ এলাকায় ছোট পরিসরে ঈদের জামাত আয়োজনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামে এবার যেসব গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে- সাতকানিয়ার মীর্জাখীল, চরতি, সুইপুর, গাটিয়াডাঙ্গা ও কেরাণীহাট, পটিয়া উপজেলার কালারপোল, হাইদগাঁও, মল্লপাড়া ও বাহুলী, চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, গাছবাড়িয়া, হারালা, বাইনজুড়ী, কানাইমাদারি ও ঢেমশা, আনোয়ারার তৈলারদ্বীপ, বরুমছড়া, বারখাইন, সরকারহাট, গহিরা ও বারশত, বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ, খরণদ্বীপ, পূর্ব গোমদণ্ডী ও পশ্চিম কধুরখীল, বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর, চাম্বল, শেখেরখীল, পুঁইছড়ি ও ডোমার এবং লোহাগাড়ার ধর্মপুর ও কলাউজান।

সিটিজিসান ডটকম/আরএইচ

Print This Post Print This Post