রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০১৭ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজার : মিয়ানমারে সেনা বাহিনীর নির্যাতিত মুখে অযৌক্তিক এবং সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়া রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশমুখী অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন।

বিশেষ করে মিয়ানমারে সংঘাত বন্ধ হওয়ার পরও বাংলাদেশে অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজনদের প্ররোচনায় রোহিঙ্গা ঢল অব্যাহত থাকায় সীমান্তে বিজিবিও রয়েছে কঠোর অবস্থানে।

আর টেকনাফ এবং উখিয়ার আশ্রয় শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের অবস্থানে পরিপূর্ণ হয়ে পড়ায় সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

নৌ পথে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরে নৌচলাচলে আগেই নিষেধাজ্ঞা জারি করে টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু নাফ নদীর পরিবর্তে রোহিঙ্গারা এখন উখিয়া সীমান্ত ব্যবহার করায় সেখানেও কঠোর অবস্থানে বিজিবি।

আঞ্জুমান পাড়া সীমান্ত দিয়ে ঢুকে পড়া রোহিঙ্গা ঢল আটকে দেয়া হয়েছে জিরো পয়েন্ট এবং নোম্যান্স ল্যান্ডে।

৩৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ পরিচালক ক্যাপ্টেন রুবেল পাঠান জানান, ‘আমরা নতুন করে আর কোন রোহিঙ্গাকে প্রবেশ করতে দিচ্ছি না।’

২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্যাতন শুরু হয়েছিলো এখনো তা অব্যাহত আছে বলে দাবি বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের।

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জিরো পয়েন্ট এবং নোম্যন্সল্যান্ডে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে আশ্রয় শিবিরগুলোতেও ডায়রিয়া-কলেরাসহ বিভিন্ন ধরণের রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ড. আবদুস সালাম।

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জিরো পয়েন্ট এবং নোম্যন্সল্যান্ডে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নিকারুজ্জামান।

আগস্ট মাসের ২৫ তারিখ থেকে পুরো সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে।

Print This Post Print This Post