অনলাইন ডেস্ক :: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) মেডিসিন স্টোর থেকে প্রশাসনের যোগসাজশে চুরি হচ্ছে ওষুধ। স্টোরের কর্মকর্তাদের এ কাজটি করছে ৮ থেকে ১০ জনের একটি চক্র।
প্রায় প্রতিদিনই অল্প অল্প করে ওষুধসহ বিভিন্ন দ্রব্য স্টোর থেকে নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে আশেপাশের ফার্মেসিতে।
এক সপ্তাহ ধরে চালানো অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এসব তথ্য। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগ। হাজারো মানুষের কোলাহলে মুখরিত এই এলাকার উল্টা দিকে মেডিকেলের মেডিসিন স্টোর। যেখানে মজুত থাকে রোগিদের জন্য বিনামূল্যে সরকারি ওষধ। রোগির চাহিদা আর চিকিৎসকের দেয়া স্লিপ দেখিয়ে ওষধ মেলে এখান থেকে।
তবে সবার জন্য নয় সরকারি ওষধ। চক্রের কারসাজিতে এসব ওষধের গন্তব্য হয় আশেপাশের ফার্মেসিতে। মেডিকেলের আয়া বাড়তি আয়ের আশায় পানির বোতলে পানির পরিবর্তে স্যাভলন নিজে দরদাম করছেন পাশের দোকানে।
শুধু বোতলে নয় ওষধ পাচার হয় বাক্সে ভরে। দরকষাকষিতে বিনামূল্যের ওষধের দাম ওঠে ১৮০০ টাকা। চুরি করা ওষধ বিক্রি করে ভাগ বুঝে- হওয়া হবার আগেই এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে পীঠে কুলো কানে তুলো অভিযুক্তদের।
ফার্মেসীর কাছে মেলেনা কোন জবাব। জানায় ১৮০০ টাকা দিয়ে ৯টি বক্স রেখেছেন মালিক জাকির হোসেনের নির্দেশমতো। অনুসন্ধাতে তথ্য মেলে ওষধ চুরির সিন্ডিকেটের মূল কান্ডারি আলমগীর।
অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে বাধা আসে বাধা হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীর কাছ থেকে। স্টোর ইনচার্জ প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে ভিডিও ফুটেজ দেখে দুশ্চিন্তার ভাজ তার কপালে। ইনসেপ্টা কোম্পানীর ওষুধের বাক্সও দেখা গেলো স্টোরে।
তবে স্টোর থেকে কোন ওষুধ বা দ্রব্য বেহাত হবার কথা প্রথমে উড়িয়েই দিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক। জানালেন, নিরাপত্তার ত্রুটি থাকলে তা জোরদার করা হবে। হাসপাতালের কোন কর্মচারি জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসও দিলেন মেডিকেলের পরিচালক।
সিটিজসান.কম/রবি
Print This Post

