চট্টগ্রাম :: নগরীর সল্টগোলাক্রসিং থেকে এয়ারপোর্ট রুট পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট নিরসনে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীকে কাজে লাগানোর প্রস্তাব দিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।
আজ শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দরের অর্থায়নে ‘বঙ্গবন্ধু বিশেষায়িত মেডিকেল সিটি’ প্রতিষ্ঠা নিয়ে গড়িমসি এবং মহেশখালে বাঁধ দেয়ার প্রতিবাদে নগরীর ইপিজেড মোড়ে সমাবেশে এক সমাবেশে সুজন এসব কথা বলেন।
সুজন বলেন, সল্টগোলা থেকে শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলাকায় বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর স্থাপনা আছে। এই এলাকায় যানজট পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি এমন অসহনীয় যে, দেশের যে কোন দুর্যোগময় পরিস্থিতিতেও নৌ-বিমান বাহিনীর সদস্যরা তাদের ঘাঁটি থেকে যানজটের জন্য বের হতে পারবেন না।
তিনি বলেন, যানজট নিরসনে পুলিশ, বন্দর, সিটি করপোরেশন, সিডিএ সবাই ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু তাদের পক্ষে এই ভয়াবহ যানজট পরিস্থিতি থেকে মানুষকে মুক্তি দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য আমি নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রস্তাব দিচ্ছি।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বিশেষায়িত হাসপাতালটি চট্টগ্রামবাসীর স্বপ্ন। এর জন্য যে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে তাতে কিছু শকুনের কুদৃষ্টি পড়েছে। তারাই বন্দর প্রশাসনের অভ্যন্তরে বসে প্রস্তাবিত হাসপাতালটি নিয়ে লুকোচুরি খেলছে।
তিনি বলেন, হাসপাতাল বাস্তবায়নের জন্য অবিলম্বে উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় জাতির জনকের নামে প্রতিষ্ঠান নিয়ে জালিয়াতির দায়ে সংশ্লিষ্টদের গণদুশমন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।
তিনি বলেন, জোয়ার-ভাটার প্রবহমান একটি খালে বাঁধ দিয়ে মুর্খতার প্রমাণ দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। অবিলম্বে এই বাঁধ অপসারণ করতে হবে। এই বাঁধের কারণে খালপাড়ের লাখ লাখ মানুষ বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার কবলে পড়ছে। সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগের মধ্যে ফেলার কোন অধিকার বন্দর কর্তৃপক্ষের নেই।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, মুহাম্মদ আবু তাহের, হাজী মো. হাসান, মাহবুবুল হক সুমন, হাসানুর রহমান লিটন, আবু তাহের, মুহাম্মদ কামরুল হোসেন, হাজী মো.হোসেন কোম্পানী, হাজী হাবিব শরীফ, আবদুস সালাম মাসুম, আশিকুন নবী চৌধুরী, ইমরান আহেমদ ইমু।
সিটিজিসান.কম/রবি
Print This Post

