সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা শিল্পে রাসায়নিক বর্জ্যের ঝুঁকি

আপডেট: ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১২:৩৬ অপরাহ্ন

ship-break-yeard

চট্টগ্রাম :: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দেশের একমাত্র জাহাজভাঙা শিল্পে নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও এখনো রাসায়নিক বর্জ্যের ঝুঁকি রয়েছে।

তাই, এসব বর্জ্য পরিশোধনে প্রথমবারের মতো একটি ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এটি করতে অর্থের জন্য খোঁজা হচ্ছে দাতা। এই প্ল্যান্ট হলে কেবল জাহাজভাঙাই নয়, অন্য শিল্প কারখানার বর্জ্যও পরিশোধন করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সীতাকুণ্ড উপকূলে গড়ে উঠা দেশের একমাত্র জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প। যেখানে ৬০টির মতো ইয়ার্ডে বছরে কাটা হয়, গড়ে ২০০টির মতো পুরনো জাহাজ। যা বিশ্বের ৩৪ ভাগ।

অনেকদিন ধরে বলা হচ্ছে, এই জাহাজ কাটায় নানা ধরনের ঝুঁকির পাশাপাশি রয়েছে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক বর্জ্য। যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

পুরনো জাহাজ ভাঙা শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্লাটফর্ম হংকং কনভেনশন। এটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে মনোযোগী হওয়ার কথা বলছেন আন্তর্জাতিক জাহাজ বিক্রেতারা। তবে এ শিল্পে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে তাদের সহায়তা চান স্থানীয় ইয়ার্ড মালিকরা।

তবে আশার কথা হলো, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পের কর্ম পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তায় আগ্রহী দাতাদেশগুলো।

পাশাপাশি এ শিল্পের বর্জ্য নিষ্কাশনে একটি টিট্রমেন্ট প্ল্যান্ট বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য দাতা দেশগুলোর সহায়তা খোঁজা হচ্ছে।

সীতাকুণ্ডে এই টিট্রমেন্ট প্লান্ট তৈরিতে ব্যয় হবে ২০০ কোটি টাকা। লাগবে ২০ একর জমি। প্লান্টটি স্থাপিত হলে তা জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পের বর্জ্যের পাশাপাশি অন্য শিল্পকারখানাগুলোর বর্জ্যও নিষ্কাশন করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিটিজিসান.কম/রবি

Print This Post Print This Post