‘বন্দর লুঠের খলনায়ক এমপি লতিফ’

mp-latip

চট্টগ্রাম :: চট্টগ্রাম বন্দর ডক-শ্রমিক ফেডারেশন বন্দর রক্ষা আন্দোলনের বীর সৈনিক আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে জামায়াত শিবিরের এজেন্টে এম এ লতিফের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আজ শনিবার প্রতিবাদ সভায়।

প্রতিবাদ সভায় বক্তরা বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী এই চট্টগ্রাম বন্দরকে রক্ষা করেছেন। তাঁর সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবসা-বাণিজ্যের কোন সম্পর্ক নেই। যে কোন কারণে হোক চট্টগ্রাম ১১ আসনে সংসদ সদস্য হয়ে মন্ত্রী ও মেয়রের পাশে ছবি তুলে জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন তা নিন্দনীয়। এই নিন্দনীয় কাজের হোতা এম এ লতিফ চট্টগ্রাম বন্দরকে অবৈধ অস্ত্র ও মদ আমদানীকারকদের স্বর্গে পরিণত করেছেন।

তারা বলেন, সামান্য জুতা ব্যবসায়ী হয়েও চট্টগ্রাম বন্দরের নিয়ন্ত্রক হন কিভাবে? প্রতিবাদ সভায় আরো বলা হয় এম এ লতিফ চট্টগ্রাম বন্দরের ভেতরে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর লুটেরাদের কবরলে। তাকে প্রতিহত করতে সচেষ্ট। বন্দরে বিনা টেন্ডারে লতিফ স্বজনদের কাজ-পাইয়ে দিয়েছেন। এই অপকর্ম কিছুতেই সহ্য করা হবে না।

তারা আরো বলেন, এমএস শিপ হ্যান্ডলিং, সুফিয়ান ব্রার্দাস, সাইফ পাওয়ার ঠেকসহ নামে বেনামে লতিফ বন্দর লুঠ করছেন। তাঁকে সাংসদ হিসেবে সম্মান করি, তবে তাঁর কার্যকলাপকে ঘৃণা করি। তাঁর মাস্তান বাহিনী বন্দর শ্রমিকদের কাছ থেকে টাকা কম দিয়ে ক্যারেট, পলিথিন জোরপূর্বক নিয়ে যাচ্ছে এবং শ্রমিকদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছেন, তাকে ক্ষমা করবে না শোষিত বন্দর, শ্রমিক-কর্মচারীরা।

আরো দাবি জানাই, লতিফকে কোন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচীতে দাওয়াত না দিন। তিনি জনগণের এবং বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ-বিরোধী মাফিয়া এজেন্ট। আমরা প্রকাশ্যে বাহাস করত চাই। তিনি কে এবং আমরা কে?

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন এসকান্দর মিয়া, মীর নওশাদ, মো: হাজী নাছির, মো.জসিম উদ্দিন, আবু বক্কর সিদ্দিক সোহেল চৌধুরী, মো.সেলিম, মো.আবদুল মতিন, মো.নাসির, মো.হুমায়ুন, মনোয়ার আলী, মনির হোসেন, মো. বাপ্পী, নূর করিম, মো.জাহিদ, মো.হারুন, মো.রফিক প্রমুখ।

সিটিজিসান.কম/রবি

Print This Post