জগলুল হুদা, রাঙ্গুনিয়া :: চট্টগ্রামের শস্য ভান্ডার রাঙ্গুনিয়ার গুমাই বিলে গ্রামীণ বাদ্যের তালে সারি সারি কৃষকদের দীর্ঘ লাইন, হাতে কাঁচি, তরুন তরুনীদের হাতে নানা স্বাদের পিঠাপুলি, আয়োজন চলছে নবান্ন উৎসবের। উৎসব আনন্দে মাতোয়ারা পুরো এলাকা! দীর্ঘদিন পর নবান্ন উৎসব আয়োজনে গ্রাম বাংলার এমন আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাংলার আবহমান কৃষিজ ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিল রাঙ্গুনিয়ার গুমাই বিলে মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিসের সহায়তায় আয়োজন করে নবান্ন উৎসব-১৪২৩। গান আর কথামালায় জমজমাট হয়ে ওঠে পুরো উৎসব। সঙ্গে পিঠাপুলির আয়োজন। জমির পাকা আমন ধান কেটে নবান্ন উৎসব উদ্বোধন করেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
নবান্ন উৎসবে উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) উম্মে কুলসুম, উপজেলা প্রকৌশলী লিয়াকত আলী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কারিমা আক্তার, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা সোনিয়া সফি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবদুর জব্বার, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন, একাডেমিক সুপার ভাইজার বদরুল আলম, ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিছ আজগর, আহমদ ছৈয়দ তালকদার, মো. সেলিম, উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা কাজী রমিজ উদ্দিন আহমদ, রাঙ্গুনিয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ নাসির, আব্বাস হোসাইন আফতাব, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা আলাউদ্দিন খোকন, আবদুল খালেক প্রমুখ।
নবান্ন উৎসবে গান পরিবশেন করেন টিভি ও বেতার শিল্পী রাতুল বৈদ্যসহ স্কুলের শিক্ষার্থীরা। নবান্ন উৎসবে অংশগ্রহন করেন কৃষক, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ ইউপি সদস্য ও বিভিন্ন পেশাজীবির লোকজন।
আলোচনা অনুষ্ঠানে ইউএনও মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, নবান্ন উৎসব এখন জাতীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে। নতুন ধানের গন্ধ আমাদের বিমোহিত করে। নতুন চাল দিয়ে বাহারি পিঠা তৈরি হয় ঘরে ঘরে। রোদে পুড়ে কৃষকদের সোনালী ধান গোলায় তুলতে যে কষ্ট তা উপলব্ধি করতে বিলের মাঝে খোলা আকাশের নিচে এ আয়োজন করা হয়েছে।
সিটিজিসান.কম/রবি
Print This Post
