তদারকির অভাবে চলছে চট্টগ্রামে ওএমএস চাল বাণিজ্য! (ভিডিওসহ)

oms-rice

চট্টগ্রাম ::
অনিয়ম-দুর্নীতি আর তদারকির অভাবেই খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের ভেস্তে যাচ্ছে সরকারর খাদ্যবান্ধব ভালো উদ্যোগগুলো। এই দুর্নীতি ঠেকানো না গেলে কোন কর্মসূচিই সফল হবে না খবর চ্যানেল ২৪ এর।

চট্টগ্রামে ওএমএস এর চাল ঘিরে খাদ্য কর্মকর্তাদের কমিশনবাণিজ্য নিয়ে অনুসন্ধানী এক প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এমন মত দেন বিশ্লেষকরা। এ ঘটনা তদন্তে খাদ্য বিভাগের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

ওএমএস এর চাল বাইরে বিক্রির জন্য ডিলারদের সুযোগ দিচ্ছেন খাদ্য কর্মকর্তারা। এজন্য প্রকাশ্যে গ্রহন করছেন নগদ অর্থ। গুদাম থেকে বের হয়ে ব্যানার খুলে চালভর্তি ট্রাক চলে যাচ্ছে কালোবাজারে।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসা ওএমএস এর চাল নিয়ে এমন চালবাজির ঘটনা এখন সর্বত্র আলোচনার বিষয়। বিশ্লেষকদের মতে, খোদ খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দুর্নীতি পুরো কর্মসূচিকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

তাই দুর্নীতির লাগাম টানতে হবে এখনই। খবর প্রচারের পর অভিযুক্ত তিন খাদ্য পরিদর্শকের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে খাদ্য বিভাগ। যার দায়িত্ব পেয়েছেন জেলা খাদ্য অফিসের দুই কর্মকর্তা। তবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই দুই বিশ্লেষক। তাদের মতে, নিজেদের লোক দিয়ে তদন্ত করে কখনো প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা যাবেনা। এজন্য দরকার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত। চট্টগ্রামে ওএমএস এর চাল বিক্রি শুরু হয় গত ১৪ অক্টোবর।

খাদ্য বিভাগের হিসাব অনুসারে, গত সতেরো দিনে চাল পাওয়ার কথা দুই লাখ চার হাজার মানুষ। কিন্তু বাস্তবে এ সংখ্যা অনেক কম। তাই অনিয়ম ঠেকাতে মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর পরামর্শ, দুর্নীতি নিয়ে কাজ করা এই দুই বিশিষ্টজনের।

এব্যাপারে অর্থনীতিবিদ প্রফেসর মুহাম্মদ সিকান্দর খাঁন জানান, এসব দুনীর্তি যদি সুষ্টভাবে তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনা না যায়, তাহলে এসব বন্ধ করা যাবে না বলে জানান এই অর্থনীতিবিদ।

সিটিজিসান.কম/রবি

Print This Post