চমেকে সংঘর্ষের ঘটনায় নাছির-নওফেল অনুসারীদের পাল্টাপাল্টি মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট : ৩০ এপ্রিল, ২০২১ শুক্রবার ০৪:৩০ এএম

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেছে উভয়পক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে চমেক ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান বাদি হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ ও ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাত করে একটি মামলা দায়ের করেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতেই আরেকটি পাল্টা মামলা দায়ের করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেলের অনুসারী রিয়াজুল ইসলাম জয় বাদি হয়ে। এতে ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন।

মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছিরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত হাবিবুর রহমান বাদি হয়ে করা মামলার আসামিরা হলেন— অভিজিৎ দাশ, মুশফিকুর ইসলাম আরাফ, মো. রিয়াজুল ইসলাম, তৌফিকুর রহমান, সৌমিক বড়ুয়া, আতাউল্লাহ বুখারী, এইচ এম ফজলে রাব্বি সুজন, সুভাষ মল্লিক সবুজ, সাদ্দাম হোসেন ইভান, রবিউল ইসলাম রাজু, ইয়াসিন আওরাজ ভূঁইয়া রওনক প্রকাশ ভূঁইয়া রনক, মোহাম্মদ হানিফ ও জিয়াউদ্দিন আরমান।

এদিকে শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেলের অনুসারী রিয়াজুল ইসলাম জয় বাদি হয়ে করা অপর মামলার আসামিরা হলেন— ডা. হাবিবুর রহমান, আল আমিন শিমুল, ডা. ওসমান গণি, ডা. অতন্দ্র আকাশ, ডা. এ এল এন এস শাহরিয়ার, ডা. মাসুম বিল্লাহ মাহিন, সাইফুল আলম লিমন, ফরিদ আহমেদ, সুজয়মান বড়ুয়া জিতু, ওয়াহেদুল আলম শিমুল, আলাউদ্দিন আলো, শাহরিয়ার মো. রাহাতুল ইসলাম, মিনহাজ আরমান লিখন, মাহাদী বিন হাসিম, ডা. তাজওয়ার রহমান অয়ন, পল্লব বিশ্বাস ও মো. ইফরাইন।

এবিষয়ে পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া বলেন, ‘গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চমেক ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

প্রসঙ্গত মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ‘সিএমসি ক্যাফে’র সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সিএস

Print This Post