নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট : ২৬ মার্চ, ২০২১ শুক্রবার ০৭:৩০ পিএম
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে ১৫-২০ জনের একদল যুবক। এসময় তারা হাসপাতালের ভেতর ভাঙচুর চালালে জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড সর্দার মো. এনায়েত আহত হন।
শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, ‘দুপুরে হাটহাজারীতে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ জনকে হাসপাতালে আনার পর জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মরদেহের সঙ্গে থাকা স্বজনরা জরুরি বিভাগে ভাঙচুর চালিয়েছে।
হামলায় আহত জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড সর্দার মো. এনায়েত বলেন, হঠাৎ একদল যুবক এসে কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। আমার মুখে তারা আঘাত করেছে। এরপর জরুরি বিভাগে ভাঙচুর চালিয়ে পালিয়ে গেছে।’
এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে পূর্ব ঘোষণা ছাড়া দুপুরে হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে তারা থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ গুলি ছোঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এতে হেফাজতের কয়েকজন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে হেফাজত এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের পর চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হেফাজত অনুসারী মুসল্লিরা মিছিল নিয়ে হাটহাজারী থানার দিকে এগুতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় হেফাজত অনুসারীদের পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ প্রথমে টিয়ারশেল ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে রাবার বুলেট ছুঁড়তে শুরু করে পুলিশ। এতে সাত মাদরাসাশিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
সিএস
Print This Post
