ভয়াবহ আগুনে পুড়েছে ২৬ জেলের বসতঘর বাঁশখালীতে

মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, বাঁশখালী প্রতিনিধি | আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০ শুক্রবার ১২:২৫ পিএম

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৬টি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) রাত ৭টা ৩০ মিনিটের সময় গণ্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা জলদাস পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

রাতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয়। আগুন নেভাতে গিয়ে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন হরিদাশ জলদাস, জ্যোতি বালা জলদাস, ঝুন্টু জলদাস, গোবিন্দ জলদাস, সত্যরঞ্জন জলদাস, চিত্তরঞ্জন জলদাস, চান্দু জলদাস, যুদ্ধ জলদাস, রাখাল জলদাস, নিত্যলাল জলদাস, অনিল জলদাস, সুনীল জলদাস, পরিমল জলদাস, সুজন জলদাস, রঞ্জন জলদাস, রতন জলদাস, সুমি জলদাস, সন্তোষ জলদাস, নিখীল জলদাস, চাইন্দ্যা জলদাস, হরিলাল জলদাস, দধিরাম জলদাস, রতন জলদাস, বাবুল জলদাস, সজল জলদাস ও কাজল জলদাস।

গন্ডামারা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান আনোয়ার বাদশা বলেন, ‘পূর্ব বড়ঘোনার জেলে পাড়ায় জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে গেছেন। তেমন কোন পুরুষ ছিল না বাড়িতে। সন্তোষ দাশ নামের এক জেলে পরিবারের নগদ ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকাসহ অধিকাংশ পরিবারের নগদ টাকা ও বসতবাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। প্রতিবেশী মুসলিমরা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় সময় ১২-১৫ জন আহত হয়েছে।’

বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের টিম লিডার লিটন বৈষ্ণব জানান,’খবর পাওয়া মাত্র আমরা চাম্বল বাংলাবাজার ব্রীজ পর্যন্ত পৌঁছলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারিনি।’

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোমেনা আক্তার বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার খবর পাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে তাদের খাবার ও ঘরের ছাউনির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

সিএস

Print This Post