পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে প্রাইভেটকারে তুলে নারীকে  ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক | আপডেট : ১৫ অক্টোবর, ২০২০ বৃহস্পতিবার ১১:৫০ পিএম

গাজীপুরের জিরানী এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে প্রাইভেট কারে (ব্যক্তিগত গাড়ি) তুলে বিউটি পারলারে কর্মরত এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাতে গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন জিরানী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গাড়িচালক পিন্টুকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।

কাশিমপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এ কে মানিক জানান, ওই নারী ও অভিযুক্ত গাড়িচালক পূর্বপরিচিত। তাঁরা কালিয়াকৈর এলাকার বাসিন্দা। ওই নারী স্থানীয় একটি বিউটি পারলারে কাজ করেন। পিন্টু রেন্ট-এ-কারে চাকরি করেন। বুধবার রাতে ওই নারী কালিয়াকৈরে তাঁর এক ছেলে (৮) ও কিশোরীকে (১৮) নিয়ে রাস্তার পাশে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় পিন্টু গাড়ি নিয়ে যাওয়ার পথে ওই নারী, তাঁর ছেলে ও বান্ধবীকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তুলে নেন। পরে চটপটি খাওয়ানোর কথা বলে তিনি তাঁদের আশুলিয়ার ডেন্ডাবর পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় নিয়ে যান।

সবাই চটপটি খেয়ে ফেরার পথে রাত সাড়ে আটটার দিকে কাশিমপুর থানার জিরানী এলাকায় পৌঁছালে ওই নারীর সঙ্গে থাকা তাঁর আট বছরের ছেলে ও কিশোরীকে হালিম খাওয়ানোর জন্য গাড়ি থেকে নামেন। তাঁরা দোকানে বসে হালিম খাওয়ার একপর্যায়ে পিন্টু গাড়িতে বসে থাকা ওই নারীকে গাড়িসহ পাশেই এক নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে পিন্টু তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে গাড়ির ভেতরেই ধর্ষণ করেন। বিষয়টি ফাঁস করলে ওই নারীকে হত্যার হুমকি দেন পিন্টু। পরে সবাইকে গাড়িতে তুলে নিয়ে কালিয়াকৈর নামিয়ে পিন্টু চলে যান।

ঘটনাটি কাশিমপুর থানা এলাকায় ঘটলেও বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই নারী ভুলে আশুলিয়া থানায় মামলা করতে যান। তখন পিন্টু খবর পেয়ে আশুলিয়া থানায় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে যান। এ সময় ওই নারী পুলিশকে জানালে পিন্টুকে আটক করে কাশিমপুর থানায় হস্তান্তর করে।

কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব-এ খোদা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই নারী বাদী হয়ে কাশিমপুর থানায় পিন্টুর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

সিএস

Print This Post