স্কুল শিক্ষকের ভূমি দখল করে ঘর নির্মাণ করল ইউপি মেম্বার

আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২০ ২:৪২ পূর্বাহ্ন

বান্দরবান প্রতিনিধি | আপডেট : ৭ অক্টোবর, ২০২০ বুধবার ১০:০০ এএম

পার্বত্য বান্দরবান জেলার লামার ফাইতংয়ে ভূমি বিরোধের জেরে রক্তপাত বেড়েই চলেছে। প্রায়ই ঠুনকো অযুহাতে কথা কাটাকাটি শুরু থেকে শুরু হয়ে রূপ নেয় ঝগড়া হাতাহাতি এবং খুনোখুনিতে। এরপর মামলা থানা হয়ে আদালতে। তবে মামলা নিষ্পত্তির দীর্ঘ সময় লেগে যাওয়ার কারণে রক্তপাতকেই সমাধাণ ধরে নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের জায়গা-জমি দখলে মেতে আছে একদল ভূমিদস্যুরা। সর্বশেষ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন নামের এক অসহায় শিক্ষকের ২৫ একর ভূমি দখল করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত হলেন, ফাইতং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শহিদুল হক মিন্টু। এছাড়াও তার সাথে রয়েছে আরও একাধিক ভূমিদস্যু।

অসহায় ভুক্তভোগী শিক্ষক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, ফাইতং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শহিদুল হক মিন্টুসহ একদল ভূমিদস্যু তাঁর ভিটেমাটিসহ জমি দখল করে নিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে দস্যুরা ম্যানেজ করে রাখায় থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও আইনগত কোনো সহযোগিতাও পাননি এই স্কুল শিক্ষক।

ওই অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ফাইতংয়ে বিভিন্ন সময় মোট ২৫ একর ভূমি ক্রয় করেছেন তিনি। এসব ভূমিতে দীর্ঘ সময় নিয়ে ফলজ ও বনজ বাগান সৃজন করা হয়েছে। তবে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার শহিদুল হক মিন্টুর নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট ওই ভূমিগুলো দখল করে নিয়েছে।

শিক্ষক সালাউদ্দিনের অভিযোগ, শহিদুল হক মিন্টুর নেতৃত্বে ৭-৮ জন তার বাগানের মধ্যে জোর পূর্বক একটি ঘর তৈরি করেছে। সেখানে বাগানের শ্রমিকদের বাগান পরিচর্যাসহ নতুন চারা লাগাতে বাধা দিচ্ছে শহিদুল হক মিন্টু ও তার লোক জন।

এই বিষয় জানতে চাইলে মেম্বার শহিদুল হক মিন্টু বলেন, ৫ একর ভূমির একটি কাগজ আছে শহিদুল হক মিন্টুর। সেই কাগজ মূলেই তিনি ওই বাগানে ঘর নির্মাণ করে পুরো জায়গাটি দখলে নিয়েছেন।

শিক্ষকের ভূমি দখলের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে লামা থানা অফিসার ইনর্চাজ মিজানুর রহমান বলেন, ‘যেহেতু ভূমি সংক্রন্ত বিরোধ। তাই আদালতের মাধ্যমে সমাধান করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আইন শৃঙ্খলার বিষয়টি পুলিশের নজরদারিতে আছে।’

জেইউএইচ/আরএইচ

Print This Post Print This Post