নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট : ২৪ আগস্ট, ২০২০ সোমবার ১১:২০ পিএম
চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানা এলাকার পুরাতন চান্দগাঁওয়ে ঘরের মধ্যেই মা-ছেলের খুনের ঘটনা ঘটেছে। দুজনকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন করার আলামত পাওয়া গেলেও কারা কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য জানাতে পারেনি পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য জনৈক ফারুককে দায়ী— এমন দাবি খুনের শিকার গুলনাহারের কিশোরী কন্যা ময়ূরীর।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় রমজান আলী সেরেস্তাদারের বাড়ি এলাকা থেকে মায়ের শরীরে অস্ত্রের আঘাতসহ ছেলের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন— গুলনাহার বেগম (৩৩) এবং তার ছেলে রিফাত (৯)।
নিহত গুলনাহারের কিশোরী কন্যা ময়ূরী জানান, ‘বহদ্দারহাটের সিরাজের ছেলে ফারুকের সাথে তাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। ফারুকের সাথে গুলনাহার বেগমের পাতানো ভাই-বোনের সম্পর্ক ছিল। পেশায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ফারুক অবসর সময়ে গুলনাহারের বানানো নাস্তা বিক্রি করতো। লকডাউনের সময়েই একইভাবে বিরিয়ানি বিক্রি করছিল ফারুক। ফারুক বিভিন্ন সময়ে টাকার লেনদেন নিয়ে গুলনাহারকে হত্যার হুমকি দিতো।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুলনাহারের স্বামী তাদের সাথে থাকতেন না। তিনি গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খন্দকার খুনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পুরাতন চান্দগাঁও রমজান আলী সেরেস্তাদারের বাড়ি এলাকায় মা ও ছেলে খুন হয়েছে। স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। আমরা গুলনাহারের শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও তার ছেলের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছি। তাদের ঘরের দরজাও খোলা অবস্থায় ছিল। এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলেই আমরা ধারণা করছি।’
তবে কেন বা কারা এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কিছুই জানা যায়নি জানিয়ে ওসি আতাউর রহমান খন্দকার বলেন, আমরা ঘটনা তদন্ত করে বিস্তারিত জানাবো। তদন্তের স্বার্থে এখন পর্যন্ত যা তথ্য আমরা পেয়েছি সবগুলোকে বিবেচনায় নিয়েই আমরা এগুবো।—যোগ করেন ওসি আতাউর রহমান।
সিটিজিসান ডটকম/এনও
Print This Post
