নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২০ শনিবার ০১:৩২ পিএম
রাত থেকে টানা গুড়িগুড়ি বৃষ্টি, রাস্তার খানাখন্দ ও চলমান এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কারণে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় জলজট ও যানজটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে লোকজন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুপুর সোয়া একটার দিকে সেখানে ধীরগতিতে চলছে সবধরনের যান চলাচল।
শনিবার (২২ আগস্ট) ভোররাত থেকেই বৃষ্টি ও জলজটের দুর্ভোগকে সঙ্গী করে কর্মস্থলে গিয়েছে কর্মজীবীরা।
এদিকে শনিবার ভোর থেকে টানা বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় আশপাশ ও নিম্নাঞ্চল এলাকায় প্লাবিত হয়ে চরম দূর্ভোগে পড়েছে সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে যোগ হয়েছে দুপুরের জোয়ারের পানি।
আবার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজের প্রতিদিন সিমেন্ট ক্রসিং থেকে সল্টগোলামুখী যানজট সারাদিন লেগেই থাকে। এছাড়া ভিআইপি সড়কে খানাখন্দে সড়কের বেহাল দশার কারণে চালক ও যাত্রীদেরও নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
বৈরি আবহাওয়ার ব্যাপারে পতেঙ্গা আবহাওয়া কার্যালয়ের পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিত চৌধুরী সিটিজিসান ডটকমকে বলেন, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাবে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের জন্য ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত এবং চট্টগ্রাম নৌ বন্দরের জন্য ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারী সংকেত বহাল রয়েছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ১২-১৮ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে, যা ঝড়ো হাওয়া আকারে ৩৫-৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
সিটিজিসান ডটকম/আরএইচ
Print This Post
