চট্টগ্রামে করোনা প্রকোপের মধ্যেই খুলেছে দেড় শতাধিক কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২০, সোমবার ০৫:৫০ পিএম

করোনার প্রকোপ শেষ হওয়ার আগেই নগরের সিইপিজেড, কেইপিজেড সহ বিভিন্ন শিল্প এলাকার দেড় শতাধিক পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে।
সকাল হতেই দল বেঁধে এসব কারখানার শ্রমিকরা কর্মস্থলে যাচ্ছেন আর ফিরছেন সন্ধ্যায়। গণপরিবহন কম থাকলেও চাকরি বাঁচাতে করোনার ভয় উপেক্ষা করেই তাদের কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে।

বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২৬ এপ্রিল) থেকে ইপিজেড এলাকার বাইরে ৮০টি  কারখানা চালু করা হয়। শ্রমিকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে কারখানায় প্রবেশ করানো হচ্ছে।

বেপজা সূত্রে জানা গেছে, সিইপিজেড ও কর্ণফুলী ইপিজেডে ৯৫টি কারখানা চালু করা হয়েছে। এসব কারখানার হাজার হাজার শ্রমিক কাজে যোগ দিয়েছেন।

এছাড়া নগরের আগ্রাবাদ, কালুরঘাট, বায়েজিদ, নাসিরাবাদ, পাহাড়তলী, চেরাগী পাহাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু গার্মেন্ট খুলে দেওয়া হয়েছে।

কারখানা মালিকরা বলছেন, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই এসব কারখানা চালু করা হয়েছে। শ্রমিকদের সবসময় মাস্ক ব্যবহার এবং বারবার হাত ধোয়ার ব্যাপারে অবহিত করা হচ্ছে।

বিজিএমইএর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সাল সামাদ বলেন, কারখানা চালু করার আগে শ্রমিক ভাই-বোনদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। আরএমজি সেক্টর আমাদের দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কারখানার চাকা থেমে গেলেও শ্রমিক-মালিক একসঙ্গে জীবন বাঁচাতে জীবিকা রক্ষায় থাকতে হবে একে অপরের পরিপূরক হয়ে।

করোনার প্রভাবে পোশাক রপ্তানি আদেশ বাতিল হওয়ার পর পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। ২ শতাংশ সুদে ঋণ হিসেবে মালিকরা এই অর্থ নিতে পারবেন, যা শুধু শ্রমিকদের বেতন দিতে ব্যয় করা যাবে।

Print This Post