‘মামলা না নিয়ে থানা থেকে বের করে দিয়েছে ওসি’

আপডেট: ২২ ডিসেম্বর ২০১৮ ২:৫০ অপরাহ্ন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | সিটিজিসান.কম

চট্টগ্রাম | ২২ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার ০২:৫০ পিএম |

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের নির্বাচনের গণসংযোগকালে ক্ষমতাসীদের নেতা-কর্মীদের হামলা শিকার হয়ে থানায় মামলা করতে ওসি মামলা নেয়নি, শুধু তাই নয়- আামাকে থানা থেকে বের করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রার্থী সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী।

গতকাল এই হামলার ঘটনায় ২০/২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি করেন। হামলার স্থান থেকে ৩০-৪০ জন নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে উল্টো মামলা দিয়েছে তিনি উল্লেখ করেন।

শনিবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১২টায় নগরের চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী লিখিত বক্তব্যে বলেন, শুক্রবার (২১ ডিসেম্বর) অনুমতি নিয়ে বাঁশখালীর উত্তর চাম্বলের সিকদার দোকান এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা করতে গেলে, ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুল হকের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় ২৫ নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। এরপর বিকেলে জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় আবারও গুলিবর্ষণ করে। এসময়ও অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়।

তিনি বলেন, ঘটনার পর ওইদিন সন্ধ্যায় বাড়িতে গেলে বাড়ি ঘেরাও করে ওখানে প্রকাশ্যে গুলি করে সরকারদলীয় সমর্থকরা। পরে মামলা করতে গেলে বাঁশখালী থানা পুলিশ মামলা না নিয়ে থানা থেকে বের করে দেয় ওসি। গতকাল রাতে আমার গণসংযোগে থাকা ৩০-৪০ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কালীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নেজাম উদ্দিন চৌধুরী, বাঁশখালী উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম, মোরশেদুল আলম, উসমান খান প্রমুখ।

বিষয়টি অস্বীকার করে বাঁশখালী থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, থানায় কোনো মামলা হয়নি এবং কোনো নেতা-কর্মীকে আটকও করিনি। মাহমুদুল ইসলাম যেসব অভিযোগ করেছেন, তা সত্য নয় বলে তিনি জানান।

সিএস/সিএম/এসআইজে

Print This Post Print This Post