ঝোপ-জঙ্গলে ঢেকে গেছে আখতারুজ্জামান চৌধুরী এমপি চত্বর!

করেসপন্ডেন্ট | সিটিজিসান.কম

আনোয়ারা ও কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম):
নেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, নেই কোন তদারকি, যেন ঝোপ-জঙ্গলে ভরা। রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে গেল মনে হবে অপরিচ্ছতার ঝোপ-জঙ্গল। যেন লোকজনের ময়লা ফেলার স্থান। এইভাবে ঝোঁপের মধ্যে ঢেকে আছে প্রয়াত বর্ষীয়ান রাজনৈতিকবিদ ও সাবেক আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মুক্তিযুদ্ধা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু এমপি চত্বর।

মহানগর কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুর উভয়পাড়ে নির্মিত গোল চত্বরে প্রতিদিন দু’পারের আসা-যাওয়া পথচারির দৃষ্টি পড়ে সাবেক এই মন্ত্রীর গোল চত্বরটি।

এই চত্বরটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী পাড়ের (মইজ্জ্যারটেক) চত্বরটি উদ্বোধনের পর থেকে সড়ক বিভাগেরও কোন ধরনের তদারকি নেই। এছাড়া দলীয় নেতাকর্মীদের তেমন কোন নজরদারি না থাকায় প্রতিদিন স্থানীয় ও পথচারিরা এটিকে ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করছে। স্তুপ হয়ে স্মৃতি চিহ্ন নামফলকটি ঢেকে যাচ্ছে জঙ্গলে।

আজ শুক্রুবার (১২ অক্টোবর) সকালে সেতুর পাশে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের মইজ্জ্যারটেক এলাকায় নির্মিত এমপি চত্বরটিতে ময়লা ফেলছে লোকজন আর আর্বজনার স্তুপে পরিণত হয়েছে স্থানটি। এতে যেমন দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে চারপাশে। তেমনি দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে যানবাহন।

স্থানীয়রা জানায়, দক্ষিণ চট্টগ্রামের একমাত্র যাতায়াতের কর্ণফুলী সেতু। এই সেতু নির্মাণ করার পেছনে মুক্তিযোদ্ধা আখতারম্নজ্জামান চৌধুরী বাবু’র অবদান অস্বীকার্য। তিনি এই এলাকার মানুষের জন্য কাঠামোগত উন্নয়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন স্থরে উন্নয়ন করেছেন। তিনি আজ নেই কিন্তু তাঁর স্মৃতি আমরা বহন করি প্রতিনিয়ত। দূর্ভাগ্য হলে সত্য এই এলাকায় প্রয়াত এই নেতা একটি স্মৃতি রক্ষায় কারো যেন দায় নেই। অথচ আখতারম্নজ্জামান চৌধুরী বাবু’র স্বীকৃতিস্মরূপ মইজ্জ্যারটেকে এলাকাবাসীর দাবির মুখে চত্বরটি নির্মাণের পর তাঁর নামে নামকরণ করা হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মুহাম্মদ রাশেদুল আলম বলেন, শাহ আমানত সেতু চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কের যাওয়ার পথে আখতারম্নজ্জামান চত্বরটি প্রয়াত এই নেতা নামফলকটি যেমন স্থানটি একটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তেমনি ঝোপ-ঝাপে ভরা স্থানটি জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। নেই যেন কারো দায়ভার এটি রক্ষার। স্তুপের কারণে দূর্গন্ধ বাড়ছে তেমনি মোড় দিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ছে প্রতিদিন দূর্ঘটনা। এটি পরিষ্কার থাকলে এলাকার সৌন্দর্যও বৃদ্ধি আরো পেত।

জানতে চাইলে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা তোফায়েল মিয়া এই প্রসঙ্গে বলেন, সৌর্ন্দয্য বর্ধনের নামফলকটি দেখভালের বিষয়টি সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় পড়ে না। এই কাজ মূলত সেতুর টোলপ্লাজার সাথে সংযুক্ত। এই ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানান এই কর্মকর্তা।

সিএস/সিএম

Print This Post