চট্টগ্রাম :: রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানী তেল পরিশোধনাগার প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল লিমিটেডের দুটি উন্নয়ন কাজের প্রায় ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুটি বৃহস্পতিবার মামলা দায়ের হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুই মামলায় আসামি হিসেবে আছেন পদ্মার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবুল খায়ের। তিনি বর্তমানে যমুনা অয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
দুটি মামলায় পদ্মা অয়েলের আরও চার কর্মকর্তাসহ পৃথকভাবে আসামি হিসেবে আছেন আরও ছয়জন।
আজ নগরীর সদরঘাট থানায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো.সিরাজুল হক বাদি হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর ০৮ ও ০৯ বলে জানিয়েছেন সদরঘাট থানার ওসি মর্জিনা আখতার।
বাদি সিরাজুল হক জানান, হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমানে জ্বালানি নেয়ার জন্য হাইড্রেন্ট লাইন নির্মাণে শিডিউল মোতাবেক কাজ না করে প্রায় ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে।
২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে হওয়া এই উন্নয়ন কাজ থেকে টাকা আত্মসাতের মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। এরা হলেন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স অয়েল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের এমডি মো.ফাহিম জামান পাঠান, প্রকল্প পরিচালক পদ্মা অয়েলের কর্মকর্তা মো.আলী হোসেন এবং এমডি আবুল খায়েরকে।
২০১৬ সালে খুলনার দৌলতপুরে পদ্মা অয়েলের একটি ভবন নির্মাণে শিডিউল মোতাবেক কাজ না করে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়েছে। এতে আসামি করা হয়েছে পাঁচজনকে।
আসামিরা হলেন, পদ্মা অয়েলের এমডি আবুল খায়ের, প্রকল্প পরিচালক মো.নূরুল আমিন, উপ-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী কে এম আব্দুর রহিম ও প্রকৌশলী সালেকী আহমেদ আইনুল আব্বাসী এবং ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোহাম্মদ ইউনূস এন্ড কোম্পানির এমডি আনিসুর রহমান।
দুদকের সহকারী পরিচালক সিরাজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সিটিজিসান.কম/রবি
Print This Post

