পুলিশের হাতে জঙ্গিদের বিস্ফোরক সংগ্রহের তথ্য

আপডেট: ১৯ মার্চ ২০১৭ ৯:২৯ পূর্বাহ্ন

bg-520170316072428চট্টগ্রাম :: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গি আস্তানায় পাওয়া বিস্ফোরকগুলো যেসব দোকান থেকে কেনা হয়েছে তার একটি তালিকা পেয়েছে পুলিশ। এখন এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছে বলে জানান, পুলিশের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম।

এদিকে বিস্ফোরকের সহজলভ্যতা ঠেকাতে আমদানি ও বিক্রি পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের। আর, ভুয়া পরিচয়ে জঙ্গি আস্তানা ঠেকাতে বিশেষ এলাকার ভাড়াটিয়াদের তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি নব্য জেএমবির সমন্বয়ক মুছাকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।

অপারেশন অ্যাসল্ট সিক্সটিনে, সীতাকুণ্ডের দুটি জঙ্গি আস্তানায় মিলেছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। যা দিয়ে বানানো সম্ভব শতাধিক বোমা। সেই সাথে মিলেছে ৩০টির বেশি গ্রেনেড। আইনশৃংখলা বাহিনীর মতে, সাম্প্রতিক অভিযানগুলোর মধ্যে এটাই বিস্ফোরকের সবচেয়ে বড় চালান।

এত বিপুল বিস্ফোরক জঙ্গিরা কিভাবে সংগ্রহ করলো, তার অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে পুলিশ। তাতে সীতাকুণ্ডের প্রেমতলার ছায়ানীড় নামে বাড়িটিতে গড়ে তোলা জঙ্গি আস্তানায় মিলেছে এমন একটি তালিকা, যেখানে রয়েছে, বিস্ফোরক সংগ্রহের তথ্য। বিস্ফোরকদ্রব্য কেনা হয়েছে এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের নাম পেয়েছে পুলিশ।

তবে জঙ্গিদের বিস্ফোরক পাওয়ার উৎস নিয়ে গভীর অনুসন্ধান দরকার বলে মত নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) একেএম এমদাদুল ইসলামের।

এছাড়া, মিথ্যা পরিচয় দিয়ে জঙ্গিদের বাসা ভাড়া নেয়া ঠেকাতে এবার কঠোর হচ্ছে পুলিশ। এজন্য, জঙ্গিরা আস্তানা গড়তে পারে, এমন কিছু সন্দেহজনক এলাকাকে চিহ্নিত করে সেখানে তথ্য সংগ্রহে মাঠে নামে হয়েছে একাধিক গোয়েন্দা টিম।

এদিকে, নব্য জেএমবির চট্টগ্রাম অঞ্চলের সমন্বয়ক মুছাকে ধরতে নজরদারি বাড়ানোর হয়েছে, তাকে পাওয়া গেলে এখানকার নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তথ্য মিলবে বলে ধারণা ডিআইজির।

সিটিজিসান.কম/শিশির

Print This Post Print This Post