কক্সবাজার :: কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম উপকূল এলাকায় এখন চলছে লবণ উৎপাদনের ধুম। সংশ্লিষ্টদের আশা, পরিস্থিতি অনুকূলে আছে, তাই, এবার লক্ষ্যমাত্রার বেশি লবণ উৎপাদন হবে। তবে মৌসুমের শুরুতে লবণের দাম কিছুটা ভাল পাওয়া গেলেও, এখন অনেকটাই নিম্নমুখী। তাই হতাশ চাষিরা।
বিস্তীর্ণ মাঠ, যেখানে বিছানো হয় পলিথিন। লবণাক্ত পানি জমিয়ে শুকানো হয় রোদে। আর ৩ থেকে ৪ দিন শুকানোর পর তৈরী হয় লবণ।
কক্সবাজারে নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া লবণ উৎপাদনের এই কর্মযজ্ঞ চলছে পুরোদমে। তাই ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষি আর শ্রমিকরা।
এবার মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ লবণ বিক্রি হয়েছে সাড়ে ৪ শ টাকার বেশিতে। কিন্তু এখন তা নেমে এসেছে অর্ধেকে। তাই লোকসানের আশঙ্কায় আছেন চাষিরা। তাদের দাবি, ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে তারা যেন বঞ্চিত না হন, সে ব্যাপারে এখনই ব্যবস্থা নেয়া দরকার সরকারের।
বিসিকের লবণ প্রকল্প কার্যালয়ের তথ্য মতে, এই মৌসুমে কক্সবাজার ও বাঁশখালী উপজেলায় লবণ চাষ হয়েছে প্রায় ৬০ হাজার একর জমিতে। এবার আশানুরূপ উৎপাদনের আশা করছে সংস্থাটি।
দেশে বছরে লবণের চাহিদা ১৮ লাখ মেট্রিক টন। যার ৯০ শতাংশ উৎপাদন হয় কক্সবাজারে, বাকি ১০ শতাংশ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপকূলে।
সিটিজিসান.কম/রবি
Print This Post

