অনলাইন ডেস্ক :: সত্যি ঘটনা, এটাই এই মহিলার পেশা। পেশার কারণে এঁর আসল নামটাই ভুলতে বসেছেন সবাই। আন্তর্জাতিক স্তরে তিনি পরিচিত ম্যাডাম বুব স্ল্যাপার হিসেবে। কিন্তু কী কারণে এই অদ্ভুত পেশা?
গোটা থাইল্যান্ড এবং আন্তর্জাতিক মহল তাঁকে চেনে ম্যাডাম বুব স্ল্যাপার হিসেবে। গত ৩১ বছর ধরে তিনি মহিলাদের স্তনে এবং গালে থাপ্পড় কষাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, মেয়েদের কাঁধে এবং নিতম্বে ঘুষিও মারেন তিনি।
গত তিন দশক ধরেই মহিলারা তাঁর স্যালনে যাচ্ছেন চড়-ঘুষি খেতে কারণ এটি একটি বিশেষ ধরনের বিউটি ট্রিটমেন্ট। ম্যাডাম বুব স্ল্যাপারের বক্তব্য, স্তনে থাপ্পড় কষালে স্তনে রক্ত চলাচল বাড়ে এবং স্তনের গঠন সুন্দর হয়। এই বিশেষ পদ্ধতিটি তিনি নাকি তাঁর ঠাকুমার থেকে শিখেছেন।
ঠিক তেমন ভাবেই গালে চড় কষিয়ে অ্যান্ট-এজিং ট্রিটমেন্ট করেন ‘ম্যাডাম’। সারা শরীরেই চড়-ঘুষি খেয়ে ম্যাডামের ট্রিটমেন্ট করাতে গেলে বেশ কয়েকটি সেশন প্রয়োজন। কারণ তিনি একই দিনে স্তনে চড় এবং নিতম্বে ঘুষির পক্ষপাতী নন।
ম্যাডাম বুব স্ল্যাপারের কথায় পশ্চিমী দেশগুলিতে নাকি অনেকেই তাঁর এই পদ্ধতিটি কপি করেছে। এইজন্য তিনি ‘গিনেস বুক অফ ওয়র্ল্ড রেকর্ডস’- এর কাছে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন এই বলে যে তাঁর পেশাই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি কপি করা হয়েছে।
একটা সময় প্রতিদিন নাকি প্রায় গড়ে ৫০ জনের ট্রিটমেন্ট করেছেন তিনি। অর্থাৎ দিনপ্রতি ১০০টি স্তনে থাপ্পড় কষিয়েছেন। এখন অবশ্য দিনে ১০ জনের বেশি এই অভিনব বিউটি ট্রিটমেন্ট করেন না। এমন বিচিত্র ব্যাপার যে হতে পারে জানতেন?
সিটিজিসান.কম/রবি
Print This Post

