বাঁচার আকুতি একজন শিক্ষকের!

আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৬ ৫:৩১ অপরাহ্ন

kamal-sir_

আরাফাতুর রহমান, নোয়াখালী :: যে চোখ স্বপ্ন দেখাতো, সে চোখে শুধু কান্না। যে মুখের অনর্গল কথায় মুগ্ধ হতো ছাত্ররা, সেই মুখে কথা নেই। ছাত্রদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখিয়েছেন, হাজারো মানুষের মাঝে জ্ঞান বিলিয়েছেন- কিন্তু আজ তিনি নিজেই অসহায়। শুয়ে থেকেই পার করছেন দিনের পুরো অংশ। ‘লিভার সিরোসিস’ রোগে অচল হয়ে গেছে পুরো শরীর। এখন শুধু একটু বাঁচার আকুতি।
মো. কামাল উদ্দিন ১৯৯৬ সালে শিক্ষকতাকে ভালবেসে নোয়াখালীর প্রত্যন্ত অঞ্চল সুবর্ণচর উপজেলার পূর্বচরবাটা স্কুল এন্ড কলেজে যোগদান করেন। হাজারো ছাত্রকে পড়িয়েছেন ইংরেজি। পড়াশুনার পাশাপাশি উদ্যোমী এই শিক্ষক ছাত্রদের খেলাধুলায় উৎসাহী করতে নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করেন।

গত কয়েক বছর ধরে তিনি ‘লিভার সিরোসিস’ রোগে আক্রান্ত। দীর্ঘদিন ঢাকায় থেকে চিকিৎসা করিয়েছেন। চিকিৎসকরা বলেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারত যেতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন ১৫ লাখ টাকা। একজন শিক্ষক সারা জীবনে সঞ্চয় করেন জ্ঞান, ছাত্রদের সম্মান আর ভালবাসা। ছাত্ররাই তার সম্পদ, সন্তান। হাজারো ছাত্রকে তিনি নিজের পায়ে দাঁড় হতে শিখিয়েছেন। তার শত শত ছাত্র আজ সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাদের সহযোগিতা আর ভালবাসা ফিরিয়ে দিতে পারে এ শিক্ষকের সুস্থ্য জীবন। তার অসহায় চোখে এখন শুধুই বাঁচার আকুতি।

চোখ দিয়ে শুধু পানি পড়ে। মনে কত শংকা। নিজের থাকা সব সহায় সম্বল খুইয়েছেন ব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে। এখন বাঁচার যে আকুতি তা বাস্তবে রূপ দিতে হাত বাড়িয়ে দেবে হৃদয়বান ব্যক্তিরা এমনটাই আশা তার।

যদি কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি কামাল উদ্দিনের চিকিৎসায় হাত বাড়িযে দিতে চান তাহলে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে- ৩৪৮৯ (ইসলামী ব্যাংক, সুবর্ণচর শাখা, নোয়াখালী) অর্থ পাঠাতে পারবেন। এছাড়া তার বিকাশ নম্বরেও (ব্যক্তিগত-০১৭২২০৮৭৮৯৭) পাঠাতে পারবেন আর্থিক সহযোগিতা।

সিটিজিসান.কম/রবি

Print This Post Print This Post