প্রকাশ্যে ঘুরছে ওয়ারেন্ট আসামী রোহিঙ্গা ইয়াবা গডফাদার কালাম!

আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন

coxbazar
টেকনাফ করেসপন্ডেন্ট ::
বার্মা বুচিদং এলাকা থেকে আগত একজন রোহিঙ্গা ও হত্যা মামলার পলাতক আসামী আবার সেই একজন এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত তার এহেন কর্মকান্ডে এলাকার শান্তি প্রিয় মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন। জানা যায়, কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের ঘিলাতলী গ্রামের রোহিঙ্গা ও ইয়াবা গডফাদার আবুল কালামের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকার পরেও সেই নিরাপদে প্রকাশ্যে বেড়াচ্ছে এবং তার বেপরোয়া কর্মকান্ডে এলাকার সাধারণ জনসাধারণ অতিষ্ট বলে খবর পাওয়া গেছে।

সেই বিগত ৮-৯ বছর পুর্বে র্বামা থেকে বাংলাদেশে আসে তার পরিবার পরিজন সহকারে বার্মা বুচিদং এলাকার বাসিন্দা ছিল। আসার পর সেই প্রথমে বিভিন্ন স্থানে মানুষের দিন মজুরি কাজ করত পরে আস্তে আস্তে বার্মার ইয়াবা গডফাদারে সাথে সেই সুসম্পর্ক তৈরি করে এর ধারাবাহিকথায় সেই ধীরগতিতে ইয়াবা ব্যবসা করে এখন সেই গাড়িসহ টাকা পয়সার মালিক বনে যায়। এবং আবুল কালাম এলাকাতে র্বামার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশের এজেন্ট হিসেবে পরিচিত বলে জনশ্রুতি রয়েছে। ইয়াবা চালান তার মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে আদান প্রদান হচ্ছে।

আবুল কালামের পরিবার বিভিন্ন কৌশলে বাংলাদেশের নাগরিক বনে যায়। আবুল কালাম একটি নারী নির্যাতন ও হত্যা মামলার পলাতক আসামী বলে একটি সুত্রে তথ্যটি পাওয়া যায়। ভাওয়াখালী ইউনিয়নের সুফিয়া বেগম নামে এক মহিলার সাথে তার বিবাহ হয় সেই তার নিজ স্ত্রী সুফিয়া কে প্রায় সময় নিযার্তন করত কারণ আবুল কালাম নিজ স্ত্রী থাকার সত্ত্বেও অন্য নারীর সাথে তার খারাপ সর্ম্পকর কারণে এক পর্যায়ে আবুল কালাম মারধর করে সুফিয়া বেগমকে হত্যা করে।

তবে আবুল কালাম তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করলেও সুফিয়া বেগমের হত্যা ও নির্য়াতনের দায়ে আবুল কালামের বিরুদ্ধে নারী নিযার্তন ও হত্যা মামলা হয়। সুফিয়া বেগমের সংসারে তিন সন্তান ছিল।

সুফিয়া বেগম হত্যার মুল কারণ ছিল আবুল কালাম এর প্রথম স্ত্রী সুফিয়া বেগম তার সংসারে থাকা অবস্থায় খুটাখালী এলাকার একটি মেয়ের সাথে কারাপ সম্পর্ক ছিল সেই সম্পর্কর কারণ নিয়ে তাদের মাঝে প্রায় সময় ঝগড়া বিবাধ হত। তারই ধারাবাহিকথায় হত্যা কান্ডটি ঘটে বলে এলাকাবাসীর ধারণা ছিল পরে খুটাখালী সেই মেয়েটিকে বিবাহ করে কিন্তু সেই আবুল কালাম তার কারাপ বদ অভ্যাসের কারণে তার সাথে ও র্দীঘদিন সংসার করার পর থাকেও হত্যা ও নির্যাতন করতে না পারলেও বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে তালাক দেয় সেই মুলত একজন নারী লোভি ধোকাবাজ, আবুল কালাম একবার পুলিশের হাতে ইয়াবা সহ আটক হয়ছিল পরে টাকার বিনিময় ছাড়া পাই বলে একটি সূত্রে জানা যায়।

এরপর আবুল কালাম স্থানী ডেইল পাড়ার মোং হোসনের মেয়েকে বিয়ে করেন। কিন্তু তার উপরেও বিভিন্ন নির্যাতন চালানোর ফলে তার সাথে সংসার হলো না। টেকনাফ থেকে পরে জুবুলি আক্তার নামে আরেক জনকে বিবাহ করে শুনা যাচ্ছে সেই নাকি ইয়াবা ব্যবসাসহ ইয়াবা পাচারে জড়িত। ইয়াবার টাকার গরমে এলাকায় বিভিন্ন অপর্কমের চালাচ্ছে প্রতিনিয়ত অভিযোগ উঠছে।

স্থানীদের মতে, উক্ত আবুল কালাম র্বামার হলেও এখন সেই বাংলাদেশের বর্তমান বাসিন্দা তার অনেক কর্মকান্ড আইন বিরোধী এবং নারী কেলেংকারীতে জড়িত। আবুল কালাম প্রকাশ বাদশা বিভিন্ন সময় প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে এলাকায় দাপটের সহিত তার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে একজন নারী লোভী, মাদক ব্যবসায়ী ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী কিভাবে এলাকায় এসব কর্মকান্ড করে এই প্রশ্ন জনসাধারণের। হোয়াইক্যং এলাকায় এখন ইয়াবা ব্যবসার মুল পয়েন্ট হিসেবে পরিচিত বলে শুনা যাচ্ছে।

তবে মুল পয়েন্টদের মধ্যে রয়েছে উলুবনিয়া, খারাংগ্যাঘোন। তবে সমপ্রতি বার্মা আরকান রাজ্যের ঘটনার পরে আবুল কালাম কিছুটা নিরবে সময় কাটালেও টেকনাফ থেকে তার শাশুর বাড়ির লোকজনের থাকে সহযোগিতার করে যাচ্ছে এমন খবরও শুনা যাচ্ছে।

সিটিজিসান.কম/রবি

Print This Post Print This Post