ঝিনাইদহ করেসপন্ডেন্ট ::
ঝিনাইদহ মহেশপুর উপজেলা কাঞ্চনপুর গ্রামের গরিব কৃষক আতিকুল ও বাবলু গরু অন্যায়ভাবে সিজার করে দিলেন শ্যামকুড় ক্যাম্পকমান্ডার নাজমুল হোসেন। গরুর মালিক গরিব কৃষক আতিকুল ও বাবলু সাংবাদিকদের কে জানান, বাবলু ৫দিন আগে ও আতিকুল ৩ মাস আগে শিয়ালমারি বাজার থেকে গরু কিনে বাড়িতে লালন-পালন করি।
হঠাৎ টাকার প্রয়োজন হওয়ায় কোন উপায় না পেয়ে আমার একমাত্র সম্বল গরুটি গ্রামের গরু ব্যবসায়ী জামালের নিকট গতকাল ৫ই নভেম্বর সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ২৭,৫০০ টাকায় গরু বিক্রয় করি। মেম্বার ও চেয়ারম্যান এর সিল স্বাক্ষর নিয়ে বাগাডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের স্বাক্ষর নিয়ে বাজারে নিয়ে যাওয়ার পথে বাগাডাঙ্গা ও পলিয়ানপুর বিজিবি নেপার মোড়ে গাড়ি থামিয়ে কাগজপাতি দেখে আমাদেরকে ছেড়ে দেন, কিন্তু সেজিয়া বাজার পার হতে না হতেই শ্যামকুড় ক্যাম্পকমান্ডার নাজমুল হোসেন ভারতীয় গরু বলে গাড়ী থেকে গরু নামিয়ে নেয়।
আমরা কোন উপায় না পেয়ে আমাদের গ্রামের মেম্বার বজলুর রহমানকে আসতে বলি। তিনি কাগজপত্র নিয়ে এসে বাড়ির গরু দাবী করলেও তা সত্বেও শ্যামকুড় ক্যাম্প কমান্ডার নাজমুল হোসেন অন্যায় ভাবে গরু সিজার দেন।
এখন আমরা কি করব একমাত্র এই গরুটি আমাদের সম্বল ছিল। কিন্তু ক্যাম্পকমান্ডার নাজমুলের কারনে আমরা অসহায় ও নিঃস্ব হয়ে গেছি। তাই বিজিবি ও প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্মকর্তাদের কাছে সঠিক বিচারের দাবী করছি।
এবিষয়ে ৬ নম্বর মহেশপুরের নেপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামছুল আলম মৃধা সাংবাদিকদের বলেন, ২ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার বজলুর রহমানের সাথে কথা বলে আমি বুঝতে পারি এটা তার নিজের বাড়ির গরু। তার জন্য আমি কথা বলি শ্যামকুড় বিজিবি ক্যাম্পকমান্ডার নাজমূল এর সাথে।
তিনি তার জবাবে আমাকে বলে ক্যাম্পের সিইওর সাথে কথা বলতে গেলে টুআইসি মর্তুজা ফোন রিসিভ করেননি। তিনি আরও বলেন, এভাবে যদি গরিব কৃষকদের গরু অন্যায়ভাবে সিজার দেওয়া হয়, তাহলে গরিব কৃষকরা কোথায় যাবে।
সিটিজিসান.কম/রবি
ঝিনাইদহ করেসপন্ডেন্ট ::
ঝিনাইদহ মহেশপুর উপজেলা কাঞ্চনপুর গ্রামের গরিব কৃষক আতিকুল ও বাবলু গরু অন্যায়ভাবে সিজার করে দিলেন শ্যামকুড় ক্যাম্পকমান্ডার নাজমুল হোসেন। গরুর মালিক গরিব কৃষক আতিকুল ও বাবলু সাংবাদিকদের কে জানান, বাবলু ৫দিন আগে ও আতিকুল ৩ মাস আগে শিয়ালমারি বাজার থেকে গরু কিনে বাড়িতে লালন-পালন করি।
হঠাৎ টাকার প্রয়োজন হওয়ায় কোন উপায় না পেয়ে আমার একমাত্র সম্বল গরুটি গ্রামের গরু ব্যবসায়ী জামালের নিকট গতকাল ৫ই নভেম্বর সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ২৭,৫০০ টাকায় গরু বিক্রয় করি। মেম্বার ও চেয়ারম্যান এর সিল স্বাক্ষর নিয়ে বাগাডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের স্বাক্ষর নিয়ে বাজারে নিয়ে যাওয়ার পথে বাগাডাঙ্গা ও পলিয়ানপুর বি.জি.বির টহল পাঠি নেপার মোড়ে গাড়ি থামিয়ে কাগজপাতি দেখে আমাদেরকে ছেড়ে দেন, কিন্তু সেজিয়া বাজার পার হতে না হতেই শ্যামকুড় ক্যাম্পকমান্ডার নাজমুল হোসেন ভারতীয় গরু বলে গাড়ী থেকে গরু নামিয়ে নেয়।
আমরা কোন উপায় না পেয়ে আমাদের গ্রামের মেম্বার বজলুর রহমানকে আসতে বলি। তিনি কাগজপত্র নিয়ে এসে বাড়ির গরু দাবী করলেও তা সত্বেও শ্যামকুড় ক্যাম্প কমান্ডার নাজমুল হোসেন অন্যায় ভাবে গরু সিজার দেন।
এখন আমরা কি করব একমাত্র এই গরুটি আমাদের সম্বল ছিল। কিন্তু ক্যাম্পকমান্ডার নাজমুলের কারনে আমরা অসহায় ও নিঃস্ব হয়ে গেছি। তাই বি.জি.বি ও প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্মকর্তাদের কাছে সঠিক বিচারের দাবী করছি।
এবিষয়ে ৬ নম্বর মহেশপুরের নেপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামছুল আলম মৃধা সাংবাদিকদের বলেন, ২ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার বজলুর রহমানের সাথে কথা বলে আমি বুঝতে পারি এটা তার নিজের বাড়ির গরু। তার জন্য আমি কথা বলি শ্যামকুড় বিজিবি ক্যাম্পকমান্ডার নাজমূল এর সাথে।
তিনি তার জবাবে আমাকে বলে ক্যাম্পের সিইওর সাথে কথা বলতে গেলে টুআইসি মর্তুজা ফোন রিসিভ করেননি। তিনি আরও বলেন, এভাবে যদি গরিব কৃষকদের গরু অন্যায়ভাবে সিজার দেওয়া হয়, তাহলে গরিব কৃষকরা কোথায় যাবে।
সিটিজিসান.কম/রবি
Print This Post

