অনলাইন ডেস্ক ::
এখনও সমাজে মান্যতা পায় নি সমকামিতা। সামাজিক দৃষ্টিতে দু’জন নারী একে অপরের প্রেমে পড়তে পারে না। যদি ভাগ্যক্রমে পড়েও যায়, সমাজ তাকে মেনে দেয় না। কিন্তু তাই বলে সিনেমায় দেখাতে তো আপত্তি থাকতে পারে না। সে কারণে সম্প্রতি মনিকো ডোগরা ও আনুশকা মানচান্দা এমনই একটি কাজ করে আলোচনায় এসেছেন।
আনুশকা মানচান্দা ও মনিকা ডোগরা অবশ্য কোনও সিনেমা করেননি। তারা একটি মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন। মুম্বাইয়ের ইলেকট্রোনিকার প্রযোজক নানুকের একটি মিউজিক ভিডিওতে দেখা গেছে তাদের। তারা ভিডিওতে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন, চুমু খেয়েছেন। যা কিনা তারা সাহসিকতার সঙ্গেই করেছেন। বিষয়টি কোথাও অমার্জিতও লাগেনি। ভিডিওটি একটি বার্তাই দিয়েছে, তা হচ্ছে- দু’জন মানুষ একে অপরের প্রেমে পড়লে কী করতে পারে।
তবে শুধু যৌনতা নয়, সম্পর্কের প্রতিটি দিক তুলে ধরেছে ভিডিওটি। কান্না, চিৎকার, মেক আপ, চুম্বন এবং আবার প্রেমে পড়া। সবগুলোই প্রেম ও সম্পর্কের কথা প্রকাশ করে। একজন নারী ও একজন পুরুষ যেমন এই পরিস্থিতিগুলোর সম্মুখীন হয়, দু’জন নারীও হতে পারে। এর মধ্যে কিছুই অস্বাভাবিকতা নেই।
যদিও এবারই প্রথম নয়, এর আগেও সমকামিতা উঠে এসেছে পর্দায়। নন্দিতা দাস ও শাবানা আজমির ‘ফায়ার’, ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘চিত্রাঙ্গদা’, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘আরেকটি প্রেমের গল্প’, সোনালি বোসের ‘মার্গারিটা উইথ আ স্ট্র’, ওনিরের ‘আই অ্যাম’, রাজ অমিত কুমারের ‘আনফ্রিডম’ এমন অনেক উদাহরণ আছে।
সমকামিতাকে পর্দায় তুলে আনার সাহস দেখিয়েছেন অনেক পরিচালকই। কিছু ছবি দর্শক নিয়েছে, কিছু ছবিকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। ফলে বক্স অফিসে চুটিয়ে ব্যবসা করেছে কিছু ছবি, কিছু ছবিকে আবার আন্তর্জাতিক স্তরের প্রশংসা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ‘মার্গারিটা উইথ আ স্ট্র’ বলিউডে মুক্তি পেলেও নিষিদ্ধ হয় ‘আনফ্রিডম’। ছবিটিকে আটকে দেয় সেন্সর বোর্ড।
সিটিজিসান.কম/রবি
Print This Post
