
নির্দেশ বড়ুয়া, সীতাকুণ্ড করসেপন্ডন্টে :: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ধলই সড়কটির দীর্ঘদিন যাবত সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সড়কটির দুই হাজার ফুট এলাকা ব্যাপক খানা-খন্দে পরিপূর্ণ।
এছাড়া সড়কটির দুই পাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে সরকারী ও বেসরকারী মালিকনাধীন ব্যাপক শিল্প প্রতিষ্ঠান। এখানে একটি উচ্চ বিদ্যালয়, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি মাদ্রাসা রয়েছে। মিল কারখনা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোর ছাত্র/ছাত্রী ও শ্রমিক কর্মচারী কর্মকর্তারা এবং এলাকাবাসী সহ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন বিশ হাজার লোক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে। প্রায় শিল্প প্রতিষ্ঠান গুলোর পন্য আনা নেওয়া করতে গিয়ে অনেক ভারী যানবাহনকে উল্টে যেতে দেখা যায়।
যার ফলে সড়কটি স্থানীয় জনগণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের ছাত্র/ছাত্রীর শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান গুলোর শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের জন্য চলাচলের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সড়কটি সংস্কারে ৫ নম্বর বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন পরিষদের দুই বার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান ছাদাকাত উল্ল্যাহ মিয়াজী উদ্যোগ গ্রহণ করে মাঝ পথে নিরব হয়ে যান। বিগত ৪/৫ বছর যাবত এখানকার বেসরকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান গুলোর মালিকরা খানা খন্দকে পরিনত হওয়া ধলই সড়কটি মেরামতের নামে ইট, কংক্রিট ও বালি দিয়ে বর্ষা মৌসুম আসলে কোন রকমে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে তুলে মাত্র। সড়কটির আজও যথাযথ সংস্কার না হওয়ায় স্থানীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাই সড়কটির সংস্কারে সওজকে জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে সচেতন মহল মনে করে।
এ ব্যাপারে এলজিইডি সীতাকুণ্ড উপজেলা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম খান বলেন, সড়কটি সংস্কারে প্রস্তাবনা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিলে ও সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ হলে সওজ কাজ শুরু করবে। কারণ এই সড়কটির মালিক সওজ। তবে আমার জানা মতে ২০১৩ ইংরেজীতে এই সড়কটির কিছু অংশের কাজ হয়েছিল।
ধলই সড়কের সংস্কার নিয়ে ভাটিয়ারী, বারৈয়ার হাট, শুভপুর, করের হাট ও রামগড় পর্যন্ত এলাকায় দায়িত্ব প্রাপ্ত রোডস এন্ড হাইওয়ের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আশেক কাদের বলেন, আমি এখানে জয়েন্ট করেছি বেশিদিন হয়নি বাড়বকুণ্ড ধলই সড়কটি দ্রুত সংস্কারে আমার পক্ষ থেকে যা যা করতে হয় তা তা করব আমি।
এছাড়া সড়কটির উন্নয়ন কাজ নিয়ে আমি ইতি মধ্যে আমাদের দাপ্তরিক মিটিংয়ে উর্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি। আশা করি কিছু দিনের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে আপাতত রিপেয়ারিং করে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে খুবই স্বল্প সময়ে পুরো সড়কটি স্থায়ী ভাবে সংস্কার করা হবে।
সিটিজিসান.কম/রবি
Print This Post
