চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার

আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২০ ১১:৪২ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট : ৮ অক্টোবর, ২০২০ বৃহস্পতিবার ১১:৩০ পিএম

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। এটি নির্মিত হলে অর্থনীতির নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। মেরিন ড্রাইভ নির্মিত হলে এই অঞ্চলে হাজার হাজার হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট, কলকারখানা তৈরি হবে। এতে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে অন্যদিকে পর্যটনে খুলবে নতুন দিগন্ত।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় আয়োজিত কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, দখল ও দূষণ রোধে প্রণীত মাস্টার প্ল্যানের বাস্তবায়ন, চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।

বন্দর নগরী চট্টগ্রামকে সারাদেশের ব্যবস্যা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করা যাবে না।

কর্ণফুলী নদীর দুই পাড়ের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে লিজ দেয়ার বিষয়ে সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, সরকারি জায়গা, স্থাপনা উদ্ধারে খুব শিগগিরই অভিযান চালানো হবে।

তিনি বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়সহ সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানকে চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়নে যাকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তা পালনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে চট্টগ্রাম তথা দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করতে হবে।

‘নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন ও নিষ্কাশনে প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এছাড়া কর্ণফুলীর নাব্যতা বৃদ্ধি, দখল ও দূষণ রোধে মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন, অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাল উদ্ধার ও খনন, সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের উদ্যোগে সরকারি সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে’ -জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানকেই বিনামূল্যে সরকারি সেবা দেয়া যাবে না। নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেই সবাইকে সেবা গ্রহণ করতে হবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি সেবার মানও উন্নত হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম নগরীর ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক উল্লেখ করে এ শহরকে আধুনিক, দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

সভায় প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি অধিদফতর/প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিএস

Print This Post Print This Post