নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট : ৬ অক্টোবর, ২০২০ মঙ্গলবার ০৯:০০ এএম
ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর’র উদ্যোগে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিবস্ত্র করে বর্বরোচিত নারী নির্যাতন এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন গণধর্ষণ, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন- নিপীড়নের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় নগরের জামালখান রোডের চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন ছাত্র অধিকার পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ন আহবায়ক এরশাদুল ইসলাম।
সভাপতির বক্তব্যে এরশাদুল ইসলাম বলেন, ‘এই ধর্ষণ বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। বিগত বছর গুলোতে আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগ কে যেভাবে দলীয়করণ করা হয়েছে তার তার ফল হচ্ছে আজকের ধর্ষণে ডুবন্ত দেশ। যখন জনগন প্রতিবাদ করে সরকার লোক দেখানো গ্রেপ্তার করে যখন জনগন একটু ঝিমিয়ে যায় সরকার তাদের বেকসুর খালাসের ব্যবস্থা করে যার জলন্ত প্রমাণ সুবর্ণনচরের ঘটনা।’
তিনি বলেন, ‘আজকে যারা ধর্ষণ করে, গুম করে, খুন করে সবাই সরকার দলীয় রাজনীতির সাথে জড়িত। তাতে প্রমাণ হয় সরকার ধর্ষকদের রক্ষাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যখন কোন ঘটনা নিউজ হয় – ভাইরাল হয় তখন তদন্ত শুরু হয়। প্রশাসনের মুখরোচক কথাবার্তা শুনা যায় তাহলে সরকারের তদন্ত বিভাগ করেটা কি?’ বক্তব্য শেষ পর্যায়ে সমাবেশের সবার উদ্দেশ্যে ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন।
দাবিগুলো হল— ধর্ষণ আইন পুনঃবিবেচনার মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা, ধর্ষণজনিত ঘটনা বা অপরাধের জন্য আলাদা দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল গঠন এবং ৩০-৬০ কার্যদিবসের মাঝে বিচার সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া তৈরী করা, ধর্ষিতার বিনামুল্যে চিকিৎসা এবং পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা, জেলায় জেলায় ধর্ষণ প্রতিরােধে পুলিশের আলাদা টাস্কফোর্স গঠন করা, নির্জন রাস্তায় সচল সিসিটিভি স্থাপন, পূর্ববর্তী সকল ধর্ষণ মামলার রায় ৬ মাসের মাঝে সম্পন্ন করা, দলীয় মদদে কোন ধর্ষণকে বা কোন অপরাধকে আশ্রয় দেওয়া হলে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা।
উক্ত কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জুবাইয়ের হক, সিনিয়র সদস্য মো. আরেফিন, মো. রায়হান প্রমূখ।
আরএস/আরএইচ
Print This Post
