
চট্টগ্রাম :: আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য এম এ লতিফকে চট্টগ্রাম বন্দরসহ রাষ্ট্রীয় কোন অনুষ্ঠানে অতিথি না করার আহ্বান জানিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে লতিফ জনরোষের শিকার হলে আয়োজকরাই এর দায় বহন করবেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার বন্দর শ্রমিকদের বিশেষ উৎসাহ বোনাস প্রদান অনুষ্ঠানে এমপি লতিফকে অতিথি করার প্রতিবাদে আয়োজিত এক সভায় সুজন এসব কথা বলেন।
জাগ্রত ছাত্র যুব জনতা নামে একটি সংগঠন নগরীর সদরঘাটে নিজ কার্যালয়ে এই সভার আয়োজন করে। চলতি বছরের শুরুতে সাংসদ লতিফের বিরুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ছবি বিকৃত করার অভিযোগ উঠে। এসময় সংগঠনটি লতিফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে মাঠে নেমেছিল।
সভায় নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, এম এ লতিফ জাতির জনকের ছবি বিকৃত করার মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছিল। লতিফ দেশের জনগণের কাছে একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। তাকে যারা আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে তাদেরও জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করবে।
তিনি চট্টগ্রাম বন্দর ও জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ভবিষ্যতে লতিফকে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগে ভেবে দেখবেন। চট্টগ্রাম বন্দরের কোন অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ না জানানোর দাবি আমি জানাচ্ছি। অন্যথায় লতিফ জনরোষের স্বীকার করে দায় পড়বে আপনাদের উপর।
বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃত করার অভিযোগে এম এ লতিফের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি এবং রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে দুটি মামলা দায়ের হয়েছিল। এসব মামলার বিচার দ্রুত শুরুর দাবিতে ২২ নভেম্বর বিকেল ৩টায় শহীদ মিনার চত্বরে সমাবেশের ডাক দিয়েছে জাগ্রত ছাত্র যুব জনতা।
সংগঠনের আহ্বায়ক এ এস এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং আবদুর রহিম জিল্লুর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন মাহবুবুল হক সুমন, নুরুল কবির, শওকত হোসাইন, মো.সালাহ উদ্দিন, মোরশেদ আলম, এনামুল হক মিলন, জাহেদ আহমেদ চৌধুরী, ফেরদৌস আলমগীর, স্বরূপ মহাজন লিটন, স্বরূপ দত্ত রাজু, রকিবুল আলম সাজ্জি, রাজীব হাসান রাজন, ইমরান আহমেদ ইমু, আবদুল খালেক, নোমান চৌধুরী, জয়নাল উদ্দিন জাহেদ, নাঈম রনি, আ ফ ম সাইফুদ্দিন, রনি মির্জা, সুজন বর্মণ, দীপঙ্কর সোম শান্ত, মনিরুল হক মুন্না, মিজানুর রহমান জনি, তাজউদ্দিন, মো.তানভীর।
সিটিজিসান.কম/রবি
