অনলাইন ডেস্ক ::
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে শেখ হাসিনা থাকলেও নতুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ওবায়দুল কাদের।
রোববার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা বর্তমান কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণা দেয়ার পরপরই নির্বাচনী অধিবেশন শুরু হয়।
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সভাপতি পদে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন। তা সমর্থন করেন পূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করেন, তা সমর্থন করেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।
সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের স্থান হয়েছে সভাপতিমণ্ডলীতে। সভাপতিমণ্ডলীতে তার পাশাপাশি নতুন এসেছেন নুরুল ইসলাম নাহিদ, আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান, আবদুল মান্নান খান, রমেশ চন্দ্র সেন ও পীযূষ ভট্টাচার্য (যশোর)।
পুরনোদের মধ্যে সভাপতিমণ্ডলীতে থাকছেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফর উল্যাহ, সাহারা খাতুন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।
পুরনো যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানকের সঙ্গে নতুন যোগ হয়েছেন আব্দুর রহমান। কোষাধ্যক্ষ পদে এন এইচ আশিকুর রহমানই থাকছেন নতুন কমিটিতে।
এর আগে নেতা নির্বাচিত করতে মঞ্চে উঠেন তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন। এই তিনজন হলেন, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হুমায়ুন, ড. মশিউর রহমান ও রাশেদুল আলম।
বিদায়ী ভাষণে কাউন্সিলরদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা বলেছেন, আজীবন আমাকে নেতৃত্ব দিতে। এটা সম্ভব নয়। আমি তো মনে করি, আপনারা আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি তা পূরণ করেছি।’
তিনি বলেন, ‘দলকে দ্বিতীয় দফা ক্ষমতায় এনেছি। তিনবার সরকার গঠন করেছি, তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছি। আপনারা আমাকে সম্মান দিয়েছেন। আমি মনে করি, আমার কাজ শেষ।’তবে উপস্থিত কাউন্সিলররা সমস্বরে ‘না-না-না’ বলতে থাকেন।
সিটিজিসান.কম/বিউটি

