ইমো গ্রুপে বন্দর থানা যুবদল নেতার ইয়াবার কারবার!

আপডেট: ৬ মার্চ ২০২১ ১১:৫৮ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট : ৬ মার্চ, ২০২০ শনিবার ০৮:৩০ পিএম

চট্টগ্রাম বন্দর থানা এলাকার যুবদল নেতা মাসুম পারভেজ। রাজনৈতিক মামলায় ছিলেন কারাগারে। সেখানেই পরিচয় মাদক মামলায় কারাগারে যাওয়া হারুনের সঙ্গে। জামিনে নেরিয়ে তারা ইয়াবা বেচাকেনার জন্য বেছে নেয় অনলাইনকে। ইমোতেই তারা ইয়াবার অর্ডার নেয়। এরপর চাহিদা অনুযায়ী তা সরবরাহ করে বিভিন্ন জায়গায়।— চট্টগ্রামে দুই যুবককে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা যায়।

শুক্রবার (৫ মার্চ) রাতে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন— গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. মাসুম (৪২) ও মো. হারুণ (৩২)। মো. হারুন বন্দর থানার পোর্ট কলোনি ৬ নম্বর সড়কের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ ইয়াবা পাচারকারী দলের সদস্য। মূলত তারা অনলাইনে ইয়াবা বেচাকেনা করে। মাসুমের সাথে থাকা মোবাইল ফোনেও এর প্রমাণ পাওয়া যায়।

তাদের দলের কিছু সদস্য আনোয়ারা উপজেলায় আছেন। তাদের মাধ্যমে অনলাইনে যোগাযোগ করে তারা ইয়াবা সংগ্রহ করেন। আবার ক্রেতারাও অনলাইনে যোগাযোগ করে ইয়াবা কিনে নেন।

ডবলমুরিং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘গতকাল (শুক্রবার) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের সামনে মাসুম ও তার সহযোগী হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় মাসুমের পকেট থেকে ১৯টি ও হারুণের পকেট থেকে ৫০টি ইয়াবা জব্দ করা হয়। পরে স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাদের বাসা থেকে আরও ১২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।’

ওসি বলেন, ‘মাসুম জানিয়েছে সে বন্দর থানা যুবদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। বিভিন্ন সময়ে তিনি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন। কমিটি না থাকায় সে কোন পদে নেই। কারাগারে তার পরিচয় হয় মাদক মামলার আসামি হারুণের সঙ্গে। কারাগারে সখ্যতা গড়ে উঠার পর জামিনে বের হয়ে দুইজনে মিলে ইয়াবার কারবারে জড়িয়ে পড়েন।’

মাসুম পারভেজের বিরুদ্ধে মাদকের আরও দুটি মামলা রয়েছে বলেও জানান ওসি মহসীন।

আরএইচআর/সিএস

Print This Post Print This Post