ইপিজেডে বন্দরের ‘ইমাম পরিচয়ে’ অঢেল সম্পদের মালিক মোশারফ

আপডেট: ২৯ জানুয়ারী ২০২১ ৩:০৫ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট : ২৯ জানুয়ারি, ২০২১ শুক্রবার ০২:০০ পিএম

মোশারফ হোসেন। তিনি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের লেবার কলোনী মসজিদের ইমাম। চাকুরি করেছেন প্রায় ৩০ বছর। বন্দরের নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন তদবির ও সুপারিশ বাণিজ্য করার মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা। দীর্ঘদিন চাকুরি থাকাকালীন ও পদবি ‘ইমাম পরিচয়’ ব্যানার দিয়ে আদায় করেছেন নানান সুবিধা। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়ে চট্টগ্রাম শহরে গড়ে তুলেছেন কয়েকটি বহুতল ভবনসহ জায়গা, জমি এবং অঢেল সম্পদ।— এমন অভিযোগ জমা পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)।

গত ২৯ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর দফতরে এ অভিযোগ পাওয়া যায়।

জানা গেছে, ১৯৮৯ সালের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চতুর্থ শ্রেণীর পদমর্যাদা হিসেবে চাকুরি যোগদান করেছেন মো. মোশারফ হোসেন। তার আরও প্রায় ৫ বছর চাকুরি মেয়াদ থাকারও কথা রয়েছে।

দুদকের অভিযোগ সূত্র জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরের চাকুরিকালীন সময়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে। নানা অনিয়ম ও তদবির বাণিজ্যের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়োগ প্রার্থীর কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা। ইপিজেড থানার লেবার কলোনী ছাড়াও ওই এলাকায় রয়েছে ৫ তলাবিশিষ্ট দুইটি বহুতল ভবন। যার মূল্যে আনুমানিক বাজারমূল্যে প্রায় প্রায় ৬ কোটি টাকা। তার ও পরিবার সদস্যের নামে-বেনামে রয়েছে জায়গা ও জমি, ব্যাংকে রয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও এফডিয়ার।

এবিষয়ে জানতে চাইলে মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ‘এগুলো সব আমার পৈতৃক সম্পত্তি। আমার অবৈধ কোনো সম্পদ নেই। সব সম্পদই বৈধ। দুদকে যদি অভিযোগ থাকে তাহলে দুদক আসুক। এসে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেক। আপনি দুদককে বলেন আমার এখানে আসতে।’

আমার অর্জন করা সম্পদের কোনো অবৈধ অর্থ নেই। তার টাকায় বৈধ। তদন্ত সংস্থা যারাই আসবে আমি এই সম্পদের প্রমাণ দেখাতে পারবো। আপনি আসেন আমার কি কি সম্পদ আছে তার বিস্তারিত প্রমাণপত্র দেখাতে পারবো।’—যোগ করেন তিনি৷

আরএইচ/সিএস