পুড়ে ছাই বাঁশখালীর পাঁচ ঘর, অর্ধকোটির লোকসান

আপডেট: ২৮ জানুয়ারী ২০২১ ৬:৩৫ অপরাহ্ন

বাঁশখালী প্রতিনিধি | আপডেট : ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ বৃহস্পতিবার ০৪:৩০ পিএম

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা এলাকায় আবার আগুন লেগে ৫ বসতবাড়ি ছাই হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ২নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে মুহুর্তের মধ্যে ৫টি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা প্রাণপণ চেষ্টা করে আগুন নেভাতে ব্যর্থ হয়। পরে বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ৩০ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন এসআই ফিরোজ চৌধুরী ও মাওলানা আব্দুল মালেক,এডভোকেট মুরাদ চৌধুরী। তাদের ৫ জনের বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার সহ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরিমাণ অর্ধ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের টিম প্রধান লিটন বৈঞ্চব বলেন, ‘স্থানীয় এক সাংবাদিকের ফোন পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দিই। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমরা ৩০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি।’

এই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থার বাঁশখালী শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হেফাজুল ইসলাম বলেন, ‘চৌধুরী বাড়িতে আগুন লাগার খবর পাওয়ার সাথে সাথে আমি ঘটনাস্থলে যাই। স্থানীয় জনসাধারণকে সাথে নিয়ে প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি।’

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এডভোকেট মুরাদ চৌধুরী বলেন, ‘আজ সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের সময় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে আমার সহ মোট ৫ বসতবাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। মুহুর্তের মধ্যে আগুন আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ায় আমরা মালামাল বের করতে পারিনি। এতে আমাদের ৫৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি একই ইউনিয়নের পুর্ব বড়ঘোনার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাতলা বাপের বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে ১৫টি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এসময় যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পৌঁছাতে পারেনি। পরে স্থানীয়রা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মাঝপথ থেকে ফিরে যায়।