অনলাইন ডেস্ক :: নির্যাতিত হয়ে রোহিঙ্গামিয়ানমার থেকে আসা তাদের সমস্যা নিয়ে এখন বেশ সরব আন্তর্জাতিক মহলগুলো। এরইমধ্যে কেউ কেউ যাচ্ছেন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও। তাতে কিছুটা আশার আলো দেখছে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা। কারো কারো মতে, রোহিঙ্গাদের সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় হোচট খাচ্ছে তাদের ফিরিয়ে নেয়ার কাজ।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হিসাবে, ১৯৭৮ সালে ২ লাখ আর ৯১-৯২ সালে আড়াইলাখ রোহিঙা অনুপ্রবেশ করে বাংলাদেশে। আর জাতিসংঘের হিসাবে এবার ৬৫ হাজার। তবে বাস্তবতা হল, দেশে বসবাসকারি রোহিঙ্গার সঠিক সংখ্যা জানা নেই কারো।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখন সোচ্চার আন্তর্জাতিক নানা মহল। নির্যাতিত এসব শরণার্থীর দুর্দশার কথা জানতে গেল দু’মাসে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছে একাধিক দল। যার সবশেষ, কফি আনান কমিশন। গেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূতও।
সব মহলই বলছে দ্রুত সংকট সমাধানের কথা। দায়িত্ব নিতে বলা হচ্ছে মিয়ানমারকে। তাতে কতখানি ফল মিলবে তা অনিশ্চিত। তারপরও খানিকটা আশার আলো জাগছে রোহিঙ্গাদের মনে।
আন্তর্জাতিক মহলের এসব তৎপরতাকে ইতিবাচক বলছে স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলো। তবে সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় এর সফলতা নিয়ে শংকা আছে কারো কারো।
রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরাতে দ্রুত সঠিক ডাটাবেইজ তৈরীর পাশাপাশি বাংলাদেশের তরফে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিটিজিসান.কম/রবি

