কক্সবাজার :: কক্সবাজারের রামুর রোববার বেলা দেড়টার দিকে রশিদনগর গ্যারেজ এলাকায় চলন্ত বাস উল্টে নারীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুসহ আহত হয়েছে আরও অন্তত ৪০ জন।
নিহতরা হলেন, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবের বাসিন্দা কাশেম (৪২) ও চকরিয়া উপজেলার পূর্বভেওলার মৃত কবির আহামদের স্ত্রী নূরুন্নাহার (৪০)। তাদের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে নেয়া হয়েছে।
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে জামাল উদ্দিন (৭০) জালাল (২৭), সাকিব (১৪), ছাবের আহমদ (৩৫), জান্নাতুল মাওয়া (৫মাস) মনির আলম (৩৬), রিয়াজি মোস্তফা (৪), আবদুল আলীম (৩০), সুমন (৩৬), নুরুল আমিন (৬০), আবুল হোসেন (৫০), উম্মেকুলসুম (৮), আবদুল হাকিম (২২), উম্মে হাবিবা (৪), মুবিনুল হক (৪৮), ছৈয়দ উল্লাহ (৩২), রেজাউল কাদের (২৫), তসলিম (৩৫), উত্তম মল্লিক (২২), মেহেদী হাসান (১৮) এবং মোহাম্মদ শোয়াইবের (২১) পরিচয় জানা গেছে। বাকিদের নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার পর সড়কের দুইপাশে শত শত বাস আটকা পড়ে। এতে যাত্রীদের মধ্যে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিজিবি ও সেনা সদস্যরা উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন। সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর সড়কে স্বাভাবিকতা ফিরে আসে।
রামু হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক আজাদ বলেন, বাসের দু’পাশের বড়ি কেটে আটকে পড়া যাত্রীদের বের করে হাসপাতালে নেয়া হয়। যাত্রীদের অনেকের মাথা ফেটে গেছে, অনেকের হাত ভেঙে গেছে। পা কেটে রক্তাক্ত হয়েছে অনেকে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় আহত প্রায় ৩০ জনকে কক্সবাজার হাসপাতালে আনা হয়। এদের মাঝে দুইজন হাসপাতালে পৌঁছার আগেই মারা গেছেন। বাকিদের চিকিৎসা চলছে।
সিটিজিসান.কম/রবি

