চট্টগ্রামে কোরবানির লক্ষ্যমাত্রায় ৫ লাখ ৯১ হাজার পশু

6666
চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রামে কোরবানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এবার ৫ লাখ ৯১ হাজার পশু। এর বিপরীতে পশু মজুদ রয়েছে ৫ লাখ ২ হাজার ৪৩০টি। ঘাটতি পশু অন্য জেলা থেকে সরবরাহ করা পশু দিয়ে মেটানো হবে।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানায়, কয়েক বছর আগেও বিভিন্ন জেলা থেকে সরবরাহ করা গবাদি পশু দিয়ে চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর চাহিদা মিটানো হতো।

স্থানীয়ভাবে লালনপালন করা পশু দিয়ে কোরবানির পশুর চাহিদা সিংহভাগ মেটানো হয়। প্রাণিসম্পদ বিভাগের হিসাবে গত দুই বছরে চট্টগ্রামে গবাদি পশুর লালনপালন ৫৭ শতাংশ বেড়েছে।

সুত্রমতে, ২০১৫ সালে চট্টগ্রামে কোরবানিতে পশু জবেহ করা হয় ৪ লাখ ৯২ হাজার ২৫০টি। স্থানীয় উৎপাদন ছিল তিন লাখ ২০ হাজার। চলতি বছর লালন–পালন হয়েছে ৫ লাখ ২ হাজার ৪৩০টি। দুই বছরের ব্যবধানে পশু পালন ৫৭ শতাংশ বেড়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আর দুই বছরে চট্টগ্রাম পশু পালনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবে।

নগরী ছাড়াও জেলার পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, সাতকানিয়া উপজেলায় খামারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে পশু পালন বেড়েছে।

এতে দেখা যায়, মিরসরাইয়ে কোরবানিতে বিক্রয় উপযোগী গরু রয়েছে ২৪ হাজার ৫৩৭ ও মহিষ রয়েছে ৫ হাজার ২০০টি। সীতাকুণ্ড ন্ডরু ২২ হাজার ৬৩৭ টি ও মহিষ ১৫২৫টি। সন্দ্বীপে গরু ২৪ হাজার ৭৬২টি ও মহিষ ৭০২০টি। হাটহাজারীতে গরু ২০ হাজার ৭৩৪টি ও ২৭০টি। রাউজানে গরু ২২ হাজার ৬৪২টি, মহিষ ২০০৫টি। রাঙ্গুনিয়ায় ২৩ হাজার ১৫৭টি ও মহিষ ১৮৭৫টি।

ফটিকছড়িতে ২৬ হাজার ৫২৫টি গরু ও ২০০৬টি মহিষ। বোয়ালখালীতে ২৩ হাজার ৪৬৯টি গরু ও ৩০১০টি মহিষ। আনোয়ারায় ২৪ হাজার ৩৮২টি গরু, ৩০১০টি মহিষ। পটিয়ায় ৩৪ হাজার ১৯৭টি গরু ও ২৫০৫টি মহিষ, চন্দনাইশে ২২ হাজার ৬৬৫টি গরু ও ১১২৫টি মহিষ, সাতকানিয়ায় ২৩ হাজার ৬৬৫টি গরু ও ১৮৭৫টি মহিষ, বাঁশখালীতে ১৯ হাজার ৩১৭টি গরু ও ১২৯৫টি মহিষ ও লোহাগাড়ায় ২১ হাজার ২৯টি গরুও ৮৭৫টি মহিষ রয়েছে।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের সুত্রমতে, ২০১১ সালে গরু জবেহ করা হয়েছে তিন লাখ ৮৬ হাজার ৭৬৭টি। ২০১২ সালে জবেহ করা হয়েছে চার লাখ ৫৫ হাজার ৯৮৯টি। ২০১৩ সালে জবেহ করা হয়েছে চার লাখ ৬০ হাজার ৩৫টি। ২০১৪ সালে জবেহ করা হয়েছে চার লাখ ৮৬ হাজার ৮৩৯টি। প্রতি বছর ১৫ শতাংশ কোরবানিদাতা বাড়ছে বলে জানায় প্রাণিসম্পদ বিভাগ।