চসিক মেয়রের সাথে জেএমএসডিএফ’র সদস্যেদের সাক্ষাত

সোমবার, অক্টোবর ৭, ২০১৯, ১০:২০ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক :: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীনের সাথে বাংলাদেশ জাপান দূতাবাসের চার্জ দ্যা এ্যাফেয়ার্স হিরোযুকি ইয়ামা এবং অধিনায়ক সেইজি ইকুবো এর নেতৃত্বে সফররত জাপানের মেরিটাইম সেলফ ডিফেন্স ফোর্সের (জেএমএসডিএফ) ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন। সোমবার বেলা সাড়ে এগারটার দিকে সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে এই সাক্ষাত অনুষ্টিত হয়।

সাক্ষাতকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমদ, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ডেপুটি হেড অব পলিটিকেল সেকশন রেইকো হারা, ডিফেন্স এ্যাটাক ক্যাপ্টেইন তাইকো এডা, অনারারি কনসুলেট জেনারেল অব জাপান নুরুল ইসলাম, পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট আবুল হাসনাত উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাতকালে সিটি মেয়র কর্পোরেশনের নানামুখি সেবাকার্যক্রম এর তথ্য প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

এই প্রসঙ্গে সিটি মেয়র নগরীর পরিচ্ছন্নতা, ডোর-টু-ডোর প্রকল্প, শিক্ষা,স্বাস্থ্য ও নগর অবকাঠামো উন্নয়ন সম্পর্কে সফররত প্রতিনিধিদলকে সম্মুখ ধারণা দেন। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরকে একটি বাসযোগ্য, নিরাপদ, পরিবেশ বান্ধব ও সবুজায়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সিটি মেয়র প্রতিনিধিদল নেতাকে অবহিত করেন। মেয়র আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন জাপান বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপান সরকারের সহযোগিতা বাংলাদেশের মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। আগামীতেও বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপান সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আজম নাছির আরও বলেন, পাহাড়- সাগর ও নদীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা চট্টগ্রাম নগরী। এই শহর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র । সমুদ্র বন্দরসহ নান্দনিক বৈশিষ্ট্যের কারণে চট্টগ্রামের উন্নয়নের সাথে জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই অগ্রগতিকে আরো বেগবান করতে বর্তমান সরকার বহুমখি পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। নগরীতে এলিভেট এক্সপ্রেস,কন্টেইনার টার্মিন্যাল, বাস-ট্রাক টার্মিনালসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কথা প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন মেয়র।

প্রতিনিধিদলের নেতা মি হিরোযুকি ইয়ামা বলেন বাংলাদেশ এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় এবং মধ্য এশীয় ইউরোপীয় দেশমন্ডলীর ঠিক মধ্যবর্তী দেশ। তাই বাংলাদেশকে এই দুই ভিন্নধারার মধ্যে মেলবন্ধন সৃষ্টির দ্যোতক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এশীয় ঐকতান সৃষ্টিতে বাংলাদেশের কুটনৈতিক প্রয়াস এবং এর ভৌগলিক রাজনৈতিক অবস্থানকে বিশেষ তাৎপর্যবহ বলে মনে করে জাপান। আগামীতে জাপান বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও গভীর ও সুদৃঢ় হবে বলে সফররত দলনেতা প্রত্যাশ ব্যক্ত করেন। বৈঠককালে সিটি মেয়র সফররত ‘বানজো’ ও ‘তাকাশিমা’যুদ্ধ জাহাজ”এর অধিনায়কদের ক্রেস্ট প্রদান করেন। ##