যেভাবে পথা চলা শুরু করে যাদু শিল্পি মাইনুল

mainul-pic
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চট্টগ্রাম ::
বাংলাদেশ যাদু শিল্প জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র মাইনুল ইসলাম। ১৯৮৫ সাল হতে দেশ-বিদেশে যাদু প্রর্দশনিতে বেশ সুনাম অর্জন করেছেন মাইনুল। ব্যক্তি জীবনে একজন ডিপ্লোামা প্রকৌশলী হয়ে যাদু শিল্পকে সখ হিসেবে পেশা নিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।

চাকুরীর ফাঁকে ফাঁকে নিজেকে যাদুর চর্চায় নিয়োজিত রাখতে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্টান যেমন-জম্মদিন, ট্রেড শো, স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া, বনভোজন, হোটেলের পার্টি শোতেও মাইনুল যাদুর ম্যাজিক প্রদর্শন করে দর্শক শ্রোতাদের রসাত্মক আনন্দ দিয়ে মাতিয়ে রাখেন আগত সকল অতিথিদের।

মাইনুর ইসলাস এই আনন্দময় ম্যাজিক খেলা যাদুশিল্প কে বাচিয়ে রাখতে বহু কষ্টে (যাদু শিখুন কুসংস্কার মুক্ত হোন-সংস্কৃতি হোক দেশ গড়ার হাতিয়ার)এই শ্লোগান দিয়ে একটি ম্যাজিক একাডেমি ও প্রতিষ্ঠা করেছেন।

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহি যাদুশিল্প কে বিশ্বব্যাপি ব্যাপক প্রচারও প্রসারে সংস্কৃতি মন্ত্রনালয় যদি সঠিক উদ্যোগ গ্রহণ করে করে তাহলে ম্যাজিক হবে ফুটবল/ক্রিকেট এর পরে ৩য় জনপ্রিয় বাংলাদেশের খেলা।

মাইনুল বর্তমানে দেশ-বিদেশে যাদু প্রদর্শন করে খ্যাতি অর্জন করে পেয়েছে সম্মান সূচক বাংলাদেশ যাদুঘর পদক, যাদু ফেডারেশন ট্রফি, বাংলাদেশ যাদু শিল্পি সংস্থার বিরল ক্রেস্ট ও সনদপত্র সহ আরো একাধিক সংগঠক পদকও।

তিনি বর্তমান সময়ে ভিশন ম্যাজিক একাডেমী’র প্রধান পরিচালক হিসেবে নগরীর ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলা (চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মার্কেট) ২য় তলা কার্যলয় স্থাপন করে যুবক-তরুন প্রজন্মদের নাম মাত্র ফি’তে ম্যাজিক শিখাচ্ছেন বলে জানান।

সকলের কাছে মাইনুলের প্রত্যাশা আগামী প্রজন্মরা যেন, ভয়ংকর মাদক ও অপকর্ম থেকে মুক্ত থাকেন, তার জন্যই যাদুর কৌশল/ম্যাজিক আয়ত্ব করতে পারলেই দেশ গঠনে ভুমিকা রাখবে তিনি মনে করেন।

সিটিজিসান.কম/শিশির