বিয়ের দুই মাসেই লাশ: স্বামী আটক

মঙ্গলবার, অক্টোবর ৮, ২০১৯, ৯:০৮ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম মহানগরের পাঁচলাইশের নাজির পাড়ায় শারমিন আক্তার সুমি (১৯) নামে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতের স্বজনরা বলছে, মৃতের স্বামীই গলাপিটে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পুলিশ লাশ নিজেদের কব্জায় নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। আটক করা হয়েছে মৃতের স্বামী সোলায়মান হোসেন লিটনকে।

চট্টগ্রাম মেডিতেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির রাতের ডিউটি অফিসার এসআই শীলব্রত বড়–য়া বলেন, রাত এগারটার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পাঁচলাইশ থানার নাজির পাড়া এলাকা থেকে শারমিন আক্তার সুমি নামে এক তরুনীকে চমেকে নিয়ে আসেন স্বামীসহ তার স্বজনরা। সেসময় তাকে অচেতন অবস্থায় দেখা যায়। চমেকের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক জানান, তার মৃত্যুটা অস্বাভাবিক।

নাজির পাড়ার মানিক ভিলার নিচতলায় সুমির শ্¦শুর বাড়ি। সেখান থেকেই তাকে রাতে চমেকে নেয়া হয়।

মৃত সুমির মা চেমন আরা বেগম জানান, মাত্র দুই মাস আগে সুমিকে নোয়াখালীর উত্তর শুল্লিকার কামাল উদ্দিনের ছেলে লিটনের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের সময় নগদ টাকা, ফার্নিচারসহ অনেক কিছুই দেয়া হয়েছে জামাতাকে। সবকিছু করা হয়েছে সুমির সুখের জন্য। তবে সুখ চোখে দেখেনি সুমি।

চেমন আরা বেগম বলেন, বিয়ের পর থেকে সুমির উপর শাররীক-মানসিক নির্যাতন শুরু করে লিটন। ২ মাসে ৩ বার তাকে মারধর ও নির্যাতন করে। এনিয়ে শালিস বিচার হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় লিটন শশুর বাড়ীতে ফোন করে জানায় সুমি অসুস্থ্য। তাকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। এখবর শুনেই চেমন আরা বেগমসহ স্বজনরা গিয়ে দেখরেত পান সুমির লাশ পড়ে আছে।

সুমির মায়ের অভিযোগ, সুমিকে নির্যাতন ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায়ও শরীরে আঘাতে চিহ্ন আছে।

সিএমপির পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কাসেম ভূঁইয়া বলেন, কিভাবে মারাগেছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই জানাযাবে। তবে মৃতের পক্ষের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার স্বামীকে আটক করা হয়েছে।