‘নির্বাচন কেমন হবে বলা মুশকিল’

অনলাইন | সিটিজিসান.কম

ঢাকা | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮, রবিবার ১২:০০ পিএম |

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেছেন, নির্বাচন কেমন হবে সেটা এখন বলা মুসকিল। এখন যেসব ঘটনা ঘটছে সেগুলো কম বেশি হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু সরকারি দলও ভালো করে জানে যে, যতোই বাধার সৃষ্টি করা হোক না কেনো বিরোধী দল (বিএনপি) এবার নির্বাচনে যাচ্ছে। পক্ষান্তরে বিরোধী দলও জানে তাকে এবার নির্বাচনে যেতে হবে।

দেশের শীর্ষ স্থানীয় একটি দৈনিকের সাথে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে এবার অনেক বছর পরে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হচ্ছে। যেটা সরকারি দল এবং সরকার থাকাকালীন। সুতারং বলতে গেলে নির্বাচনটা একটু ব্যতিক্রম এবং চ্যালেঞ্জিং। এখন পর্যন্ত সব দল অংশগ্রহণ করবে এটাই পরিষ্কার।

যেহেতু সব দল নির্বাচনে যাচ্ছে এবার। সেই হিসেবে নির্বাচনের দিন এবং তার পরের যে সময়টুকু সেটা আমার মনে হয় বেশি গুরুত্ব পাবে। এবার যেহেতু সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন হবে তাই স্বাভাবিকের তুলনায় যেন বেশি সহিংসতার ঘটনা না ঘটে এ বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে।

বিরোধী দলের প্রার্থীতা বাতিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রার্থীতা বাতিল করে খুব একটা লাভ হয় না। মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের ভোটাররা কিন্তু যথেষ্ঠ রাজনীতি সচেতন। আগেও এভাবে করা হয়েছিল। তাতে বরং উল্টো হয়। কারণ জনগন ভালো করেই জানে কোন প্রার্থীর আসন কোনটা। সেখানে যদি প্রার্থীতা বাতিলও করা হয় জনগন কিন্তু জানে যে ওমুক নেতা বা নেত্রীর এই আসনে দাঁড়ানোর কথা ছিল। সেটাই যথেষ্ট। অতীতে আমরা দেখেছি এরশাদ জেলে থাকলেও সে ৬টি আসনেই নির্বাচিত হয়েছিল।

জোট-মহাজোটের নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থিতি আনবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্থিতি আনবে কি না এটা বলা কঠিন। কারণ আমাদের দেশের রাজনীতিতে এক ধরণের অপরিপক্কতা রয়ে গেছে। রাজনৈতিক এই ঘাটতির কারণে বিশেষ করে গণতন্ত্রের কাঠামোতে যারা আছেন তারা সব জায়গায়ই এক ধরণের হোচট খাচ্ছে। তাই দলগুলোকে এক ধরণের রাজনৈতিক অভ্যাসে পরিণত করা দরকার। তখন রাজনৈতিক অভ্যাসে নির্বাচন হবে। নির্বাচনে সবাই দাঁড়াবে। এবং ভোটাররা ভোট দেবে। সূত্র : মানবজমিন

সিএস/সিএম/এসআইজে