‘সন্ত্রাসী কার্যক্রমে বাংলাদেশের সীমানা ব্যবহার করতে দেয়া হবে না’

001

অনলাইন ডেস্ক ::
আজ শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সন্ত্রাসবাদ রুখতে ব্যবস্থা নিচ্ছি, আরও নেবো। বাংলাদেশে কখনো সন্ত্রাসবাদের জায়গা হবে না।

এছাড়া প্রতিবেশী দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে কখনই আমাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক দেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। তার নেতৃত্বে দেশ মাথা উচু করে দাঁড়াতে শুরু করে। কিন্তু ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে বিএনপি-জামায়াত দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে।

কিন্তু অনেক ত্যাগের মাধ্যমে ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে।এরপর আবারও শিক্ষা, অর্থনীতিতে উন্নয়ন ঘটতে শুরু করে। কিন্তু দুর্ভাগ্য ২০০১ সালে আবারও ক্ষমতার বাইরে চলে যায় আওয়ামী লীগ। কিন্তু ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালিত করতে থাকে। দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী আরো বলেন, জাতির পিতার সন্তান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছি। বঙ্গবন্ধু শোষিত মানুষের কথা বলতে গিয়ে বারবার জেলে গেছেন। ফাঁসি দিয়ে তাকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তিনি পিছপা না হয়ে দেশের মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তার দেখানো পথে বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছি। বাংলাদেশে যেন আর কোনো দরিদ্র না থাকে এ জন্য ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে বিভিন্ন ভাতা দেয়া শুরু করা হয়।

তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসবাদ সেই উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। তবে সন্ত্রাসবাদকে কোনো ক্রমেই দেশে প্রশ্রয় দেয়া হবে না। সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়া বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে কোনো ক্রমেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।

বাংলাদেশকে ২০২১ সালে মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে উন্নীত করতে চাই বলেও জানান শেখ হাসিনা।

সিটিজিসান.কম/রবি