মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে যুব জাগরণ প্রতিষ্ঠা

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২, ২০১৯, সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সমুহ বর্তমান বাস্তবতার আলোকে বাস্তবায়নের জন্য যুব সমাজের গঠনমূলক অংশগ্রহণের অভিপ্রায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারী যুব জাগরণ নামের সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে বাংলাদেশের যুব রাজনীতির প্রতীক শেখ ফজলুল হক মনি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এবং রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার প্রতি আস্থাশীল যুবকদের নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগকে সুসংগঠিত ও আধুনিক একটি সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলাই এই যুব গবেষণা কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।

ওমর ফারুক চৌধুরী যুবলীগের মূল নেতৃত্বে আসার পর দেশের যুব রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তনে ব্রতী হন। বিশেষ করে যুবকদের রাজনীতি নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণার দিকে গুরুত্বারোপ করেন। একদিকে মেধাভিত্তিক গবেষণা চর্চায় যুবকদের উৎসাহী করছেন, অন্যদিকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী নানা তৎপরতার কড়া জবাব দিচ্ছেন। তিনি যুবলীগের ষষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৭২ সালের এই দিনে শেখ ফজলুল হক মণি সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানামুখী চড়াই উৎরাই পেরিয়ে কালের পরিক্রমায় সংগঠনটি আওয়ামী লীগের ভ্যানগার্ডে পরিণত হয়েছে। দলের সময়-অসময় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা রাজপথে থেকে দেশবিরোধী নানা অপতরৎতার জবাব দিয়েছে। আগুন সন্ত্রাস-জঙ্গি হামলাসহ বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছে।

তৃণমূল যুবলীগের কতিপয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ থাকলেও দেশের সুষ্ঠু ধারার রাজনীতিতে যুবলীগের অবদান অসামান্য। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরীর সম্পাদনা ও প্রকাশনায় বের হয়েছে ‘ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম’গ্রন্থটি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৬৬ তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে প্রকাশিত ২১৬ পৃষ্ঠার বইটিতে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা, প্রবাসী কলামিস্ট সাংবাদিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী, সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, সাংবাদিক বেবী মওদুদ এমপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, কবি মহাদেব সাহা, অর্থনীতিবিদ কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ, ব্যাংকার খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ও কবি মুহাম্মদ সামাদের লেখা সহ রয়েছে যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদকের লেখাও। এ ছাড়াও ওমর ফারুক চৌধুরীর সম্পাদনা ও প্রকাশনায় প্রকাশিত হয়েছে -যুব গবেষণা কেন্দ্রের দ্বৈত ভাষায় বিশেষ প্রকাশনা “মিথ্যাচারের কি তেলেসমাতি জিয়া প্রথম রাষ্ট্রপতি! ও ‘যুব গবেষণা কেন্দ্রের স্মারক গ্রন্থগণ’ পুড়িয়ে ‘তন্ত্র’ দিয়ে কি করবেন ম্যাডাম?

এছাড়া বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে সম্পাদনা যুব গবেষণা কেন্দ্রের স্মারক গ্রন্থ “প্রবাসী ভাইবোনদের কল্যানব্রতী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা উন্নয়নে সামিল করেছেন দূর করেছেন তাদের সব বিড়ম্বনা” এমন সব চমক লাগানো, মেধা মনন ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে যুবলীগ যখন দেশে বিদেশে সুসংগঠিত। পুরো সংগঠনটাই একটা পরিবার। কেন্দ্র, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওর্য়াড সবই যখন শক্তিশালী। আওয়ামী লীগ এর অঙ্গ সংগঠন হিসাবে যুবলীগও যখন একটি বৃহৎ সংগঠন, বৃহৎ পরিবার। এই বৃহৎ পরিবারে কিছু বিশৃংখলা থাকতেই পারে।

তবে ওমর ফারুক চৌধুরীর সময়েই যুবলীগ সবচেয়ে বেশি সুসংগঠিত। ইতিমধ্যে তিনি দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও নগরে সম্মেলন করে আসছেন। আগামী কয়েক মাসে ১০টি জেলায় সম্মেলন করার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।