জামায়াতের বিচারে আইন সংশোধন হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

অনলাইন | সিটিজিসান.কম

ঢাকা | ৯ জানুয়ারী ২০১৯, বুধবার ০৪:৫০ পিএম |

যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে জামায়াতের বিচারের লক্ষ্যে আবারো আইন সংশোধনের উদ্যোগের কথা বললেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আইন সংশোধন হচ্ছে রাজনৈতিক দল হিসেবে তার বিচার করা যায় কিনা? আমরা ড্রাফট করে রেখেছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেলে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। বললেন- আইনমন্ত্রী।

বুধবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৩ সালে যে আইন করা হয়েছিল সেটা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যারা মানবতাবিরোধী ব্যক্তি তাদের বিচার করার জন্য। তখন সেই আইনটাতে দল হিসেবে জামায়াতের বিচার করার জন্য করা হয়নি। তবে ১৯৭২ সালে যখন সংবিধান প্রণয়ন করা হয় তখন জামায়াতকে ‘ব্যান্ড’ (বাতিল) করা হয়েছিল। সে কারণে দাবি উঠেছিল।

‘তাছাড়া তিনটি রায়ে দেখা গেছে যে জামায়াত দল হিসেবে যুদ্ধাপরাধে জড়িত। তাদের বিচারের জন্য দাবি উঠেছে সেই সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমি বলেছিলাম যে বিদ্যমান আইনে বিচার করা যায় না তাই সংশোধন প্রয়োজন।

গত মেয়াদে আমরা সংশোধনে হাত দেই। আমরা কিছু সংশোধন করে আইন বিভাগে পাঠাই। পরে কিছু আইনগত শব্দ সংশোধন করে পাঠানো হয়, আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেলেই মন্ত্রিসভায় ওঠানো হবে। এরপর পাস করা হবে।’

এদিকে বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জেলা হত্যার নেপথ্যে থাকাদের খুঁজে বের করতে আইন কমিশন করা প্রয়োজন বলেও মত দেন মন্ত্রী।

যারা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিলেন, যারা জেল হত্যার নেপথ্যে ছিলেন তাদের চিহ্নিত করতে হবে। তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় বা এমন একটা অনুশাসনের আওতায় আনতে হবে যেন মানুষ অন্তত এই বার্তা পায় যে অন্যায় করলে বা অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের এই দেশে বিচার হয়। আইন বিভাগের এখন অন্যতম কাজ এটি।

তিনি বলেন, যদি নেপথ্যে থাকাদের চিহ্নিত করতে না পারি তাহলে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মতো ষড়যন্ত্র থেকে বের হতে পারবো না, সেই ছায়া থেকে বের হতে পারবো না।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রয়োগের জন্য করা হয়নি। আগের মেয়াদের সাহাহ্নে সাংবাদিকদের দাবির মুখে কিছু ধারা সংশোধনের কথা বল

সিএস/সিএম/এসআইজে

Leave a Reply