নগরীতে বেড়েছে সবজির দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম নগরীর বেশ কয়েকটা কাঁচাবাজারে গত ১ সপ্তাহের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়েছে সব রকমের কাঁচাকবাজারের দাম। প্রতিটি সবজির ৩০/৪০ টাকা কেজি মূল্যপ্রতি বেড়েছে। শীতকালীন সবজির সরবরাহের কারণে এই মূলবৃদ্ধি কারণ বলে জানান ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (০৬ এপ্রিল ) মহানগরীর বেশ কয়েকটি কাঁচাবাজার মার্কেট ঘুরে স্বচিত্রে জানা গেছে।

মহানগরীর কর্ণফুলী মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে প্রতি কেজি টমেটো ২০ টাকায় বিক্রি হলেও এই সপ্তাহে ৩০ টাকা। কাকরল বেড়ে হয়েছে ৭০ টাকা, ৩০ টাকা থেকে বেগুন বেড়ে হয়েছে ৫০ টাকা, লাউ বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে বেড়ে ৩৫ টাকা। আলু ১৫ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ টাকা। বরবটি ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০ টাকা, ফুলকপি ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা। ঢ্যাঁড়স কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৫০ টাকা। তবে তিতকরলাসহ বেশ কয়েকটা সবজিরদাম স্থিতিশীল রয়েছে।

কর্ণফুলী মার্কেটে কাঁচাবাজার বিক্রেতা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, দাম বৃদ্ধির একটাই কারণ শীলকালীন সবজির সরবরাহ কমে গেছে। শীতকালে যে পরিমাণ সবজি গ্রাম থেকে শহরে আসে ওই পরিমাণ সবজির সরবরাহের কম থাকায় দাম বৃদ্ধির কারণ বলে জানানো হয় ওই ব্যবসায়ী।

এদিকে মাছের বাজারে মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে কেজি প্রতি ৩০/৫০ টাকা। গত সপ্তাহে রুই মাছ ৩০০টাকা থেকে বেড়ে ৩৫০ টাকা। কোরাল মাছের কেজি ৫০০ টাকা বেড়ে ৫৫০ টাকা, ইলিশ ৭০০-১২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া দেশীয় কই মাছ ৬০০ ও ফার্মের ৩০০ টাকা, চিংড়ি আকার ভেদে ৪৫০-৮০০ টাকা, কাতলা ৩৫০, লইট্টা ১২০-১৫৬ টাকা, বাটা মাছ ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কাজির দেউরি বাজারে ক্রেতা আলাউদ্দিন বলেন, শীতকালীন সবজি বাজার বৃদ্ধি মানলাম। কিন্তু মাছের বাজার বৃদ্ধি কারণতো মানতে পাররাম না।

কাজির দেউরি বাজারের মাছ ব্যবসায়ী মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, শীতকালে অনেক ডুবা-পুকুর শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্খায় ব্যবসায়ীরা এক সাথে বিক্রি আশায় মাছগুলো বাজারে নিয়ে আসে। এই সপ্তাহে মাছ সরবরাহ কম থাকায় মাছের মুল্যবৃদ্ধির কারণ।

এ ছাড়া বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ টাকা, পাকিস্তানি ব্রয়লার ১৮০ টাকা দেশি মুরগি ৩৮০ টাকা। ছাগলের মাংস ৭০০ টাকা এবং গরুর মাংস ৫৫০-৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।