প্রকাশ: ২২ ডিসেম্বর ২০১৭, ১১:৫৮:২৬

প্রায় লাখ ভোটে আ.লীগকে হারাল লাঙ্গল

Mostafa-Ershad

রংপুর : রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিভিন্ন কেন্দ্রের ফলাফল আসছে। এতে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার খবরে সমর্থকদের নিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান। রাত ৯টায় কলেজ রোড, জাতীয় পার্টির অস্থায়ী নির্বাচন কার্যালয়, রংপুর, ২১ ডিসেম্বর।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সব কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমানের কাছে তাঁরই নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সরফুদ্দীন আহমেদ ধরাশায়ী।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে রাত ১২টার দিকে এ সিটি করপোরশনের ১৯৩টি কেন্দ্রের ফল পাওয়া গেছে। লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে মোস্তাফিজার রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৯ ভোট। নৌকা প্রতীক নিয়ে বর্তমান মেয়র সরফুদ্দীন আহমেদ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪০০ ভোট। আর ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির কাওসার জামান পেয়েছেন ৩৫ হাজার ১৩৬ ভোট।

রংপুর সিটি করপোশনে এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে ভোট গ্রহণ হয়। এ সিটি করপোরেশনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯৯৪ জন। ১৯৩ কেন্দ্রে ২ লাখ ৯২ হাজার ৭২৩ জন ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মোট ৭৪ দশমিক ৩০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সবার আগে ফল পাওয়া গেছে ইভিএম ব্যবহার করা কেন্দ্রের। ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যেই ওই কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। রংপুরে ১৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে একটি কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা।

রংপুরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বেগম রোকেয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ওই ইভিএম ব্যবহার করা হয়। ওই কেন্দ্রের ফলাফলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ৬৭৪ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দীন আহমেদ পেয়েছেন ৩৩৪ভোট। আর বিএনপির প্রার্থী কাওসার জামান পেয়েছেন ১১৭ ভোট।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জি এম সাহতাব উদ্দীন এ তথ্য জানিয়েছেন। ওই কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ২ হাজার ৫৯ জন। এর মধ্যে ৬১.৬৭ শতাংশ ভোট পড়েছে।

উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ হয়েছে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয়েছে বিকেল চারটায়। এর পরই ভোট গণনা শুরু হয়।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোট দিতে কোনো অসুবিধা হয়নি বলে জানিয়েছেন ভোটাররা।