প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৩:১৭:৫৮

বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগীতায় প্রথম চট্টগ্রামের মেয়ে জান্নাতুল নাঈম!

jannatul nayam

চট্টগ্রাম : নারীরা এখন আর অবহেলিত নন। ঘরে-বাইরে তারা পুরুষের মতো সবকিছুতেই পারদর্শী। তারা এখন প্রতিবাদী এবং পুরুষদের পাশাপাশি সমান তালে কাজ করে দেশকে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এমনই এক সাহসী নারী জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। যিনি আজ মধ্যমনি।

শুক্রবার রাত থেকে বাংলাদেশ তথা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাঙালিদেরও আলোচনার শীর্ষে। মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ হয়েছেন তিনি। ১৮ নভেম্বর চীনে অনুষ্ঠেয় বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতার মূল আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। প্রায় ২৫ হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে জমকালো গ্র্যান্ড ফিনালেতে বিচারকরা চূড়ান্ত বিজয়ী হিসেবে তাকেই নির্বাচন করেছেন।

সাহসী নারী জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের বয়স ২০। অত্যন্ত সাহসী এবং প্রতিবাদীও। সে কারণে নিকটতম বন্ধুরা তাকে ‘মাফিয়া গার্ল’ বলে ডাকেন। তবে এমন ডাক তিনি বেশ উপভোগও করেন। এই ‘মাফিয়া গার্ল’ বলে ডাকাকে তার সাহসী ও প্রতিবাদী চরিত্রের স্বীকৃতি বলে মনে করেন তিনি।

জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল বাংলাদেশের হাইস্পিড লেডি বাইক রাইডার। তার লক্ষ্য ছিল হাইস্পিড লেডি বাইকার হিসেবে বিশ্ব দরবারে নিজেকে মেলে ধরা। চট্টগ্রামের মেয়ে এভ্রিল মাত্র ১৪ বছর বয়স থেকেই বাইক চালানো শিখেছেন। এরপর আস্তে আস্তে মোটরবাইক চালানো তার যেনো এক শখে পরিণত হয়।

এভ্রিল মোটরসাইকেল নিয়ে বিভিন্ন নৈপুণ্য দেখাতে এক পারদর্শী হয়ে ওঠেন। ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার এভ্রিলের বাইক নৈপুণ্য প্রদর্শনী, বাইক চালানোর ছবি এবং ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। তিনি যেনো রাতারাতি সেলিব্রেটি বনে গেছেন। তার ফেসবুক ফলোয়ারের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে লাখের উপর। আর এখন? এখন তো তিনি কোটি তরুণের স্বপ্নের নায়িকাতেই পরিণত হতে যাচ্ছেন।

জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের অ্যাক্টিভিটি অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি ঝোঁক ছিলো মিডিয়ার প্রতি। তাইতো বাংলাদেশ থেকে বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। আর এখন? অপেক্ষা তো সেই ক্ষণের। যেদিন বিশ্বের সব সুন্দরীদের ভিড়ে নিজেকে মেলে ধরবেন। স্বপ্ন তো দেখতেই পারেন। বিশ্বসুন্দরীর মূকুট একমাত্র তার মাথাতেই শোভা পাচ্ছে!