প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০১৭, ১৩:৩৫:৪৮

রাঙ্গুনিয়ায় শুল্ক ফাঁড়ির ৩ বনপ্রহরী বরখাস্ত

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় রেঞ্জের আওতাধীন পোমরা চেক স্টেশনে বনপ্রহরী নাসিরুল আলম চৌধুরী, মো. আব্দুল ছালাম, মো. নুরুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। দায়িত্ব অবহেলা ও কাঠপাচারের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বরখাস্ত করা হয়

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জের পোমরা চেক স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইউনুছ বলেন, কাঠ পাচারের ঘটনায় তিন বনপ্রহরীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অভিনব পন্থায় দীর্ঘদিন ধরে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে মূল্যবান সেগুনসহ বিবিধ কাঠ পাচার হয়ে আসছে। অবৈধ কাঠ পাচারের সাথে বন বিভাগের চেক স্টেশনের কতিপয় বনকর্মী জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।

গত ২৬ আগস্ট দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার (ডিএফও) নির্দেশে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের শহর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.ওমর ফারুক, রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রহ্লাদ চন্দ্র রায় ও কালুরঘাট রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে অভিযান পরিচালনা করে একটি কাভার্ড ভ্যানবোঝাই ৫শ ঘনফুট অবৈধ সেগুন কাঠ আটক করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ লক্ষ টাকা।

সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে আহরিত মূল্যবান কাঠ চন্দ্রঘোনা কর্ণফুলী নদীপথে এনে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়ক হয়ে চট্টগ্রামমুখি একটি কাঠবোঝাই কাভার্ড ভ্যানের মাধ্যমে পাচারের গোপন সংবাদ পেয়ে বনবিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আগেভাগে রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তাকে অবহিত করে এবং ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করে।

কিন্তু নির্দেশ না মেনে বনপ্রহরীরা কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। যার কারণে কাঠবোঝাই কাভার্ডভ্যান পোমরা বন চেক স্টেশন অতিক্রম করে। বিষয়টি বনবিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তিন বনপ্রহরীকে সাসপেন্ড করা হয়।

রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রহ্লাদ চন্দ্র রায় বলেন, বিষয়টি তদন্ত চলছে। দোষী প্রমাণিত হলে তিন বনপ্রহরীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।