প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০১৭, ১২:২১:৩৩

বাতিল হলো সিটিসেলের লাইসেন্স

অনলাইন ডেস্ক : অবশেষে বাতিল হয়েছে দেশের প্রথম বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেলের লাইসেন্স। সোমবার টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (বিটিআরসি) কমিশন বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

বিটিআরসির এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সরকারের অনুমোদনের পরে কমিশন বৈঠকে সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত সপ্তাহে অপারেটরটির লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের ফাইল বিটিআরসিতে যায়।

গত বছরের ৩১ জুলাই এক বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের দুই সপ্তাহের মধ্যে বিকল্প সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানায় বিটিআরসি। সে হিসাবে সে বছরের ১৬ আগস্ট পর্যন্ত সময় পান গ্রাহকরা।

যদিও ১৪ আগস্ট ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, ‘বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিটিসেলের গ্রাহকরা আরো সময় পাবেন।’

এরপর বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে যায় সিটিসেল। বিটিআরসির ওই নোটিশের পর আপিল করে অপারেটরটি। গত বছরের ২৯ আগস্ট সিটিসেলকে ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা বকেয়া দুই কিস্তিতে পরিশোধ করার শর্তে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বলে আপিল বিভাগ। এজন্য প্রতিষ্ঠানটি সময় পেয়েছিল দুই মাস।

সিটিসেল আবেদন নিয়ে আপিল বিভাগে গেলে গত বছরের ৩ নভেম্বর শর্তসাপেক্ষে অবিলম্বে এর তরঙ্গ খুলে দেওয়ার নির্দেশ আসে সর্বোচ্চ আদালত থেকে। দুই দিন পেরিয়ে গেলেও তরঙ্গ ফিরে না পেয়ে ফের আদালতে যায় প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে তাদের পক্ষ থেকে বকেয়া টাকার মধ্যে ১৪৪ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়। পরে আপিল বিভাগ আদেশ দেন, ১৯ নভেম্বরের (২০১৬) মধ্যে সিটিসেল বকেয়ার ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ না করলে আবারো তরঙ্গ বন্ধ করে দিতে পারবে বিটিআরসি।

এর আগে বকেয়া টাকা শোধ না করায় গত বছরের ২০ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ স্থগিত করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে ঢুকে তরঙ্গ বন্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেন বিটিআরসির কর্মকর্তারা।